সোমবার ১২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
রূপপুরে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু: নভেম্বরের শেষ নাগাদ বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রত্যাশা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাংকগুলোকে ৫ দফা নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের নির্দেশ বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ: বিআইসিএম ও বিএএসএম-এর সেমিনারে সচেতনতা ও জালিয়াতি রোধের ওপর জোর চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বিনিয়োগকারীদের জন্য বেপজার ডেডিকেটেড কান্ট্রি ডেস্ক চালু BAEC scientist Dr M Khalid Hossain named among world’s top 2pc researchers for 4th consecutive year ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালুমনাই অ্যাসোসিয়েশনের দিনব্যাপী আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সিএমএসএমই খাতের ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল নভেম্বরের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের বাংলাদেশে সাশ্রয়ী জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে আগ্রহী তুরস্ক, এফএসআরইউ ও এলএনজি খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব ক্যাশলেস স্বাস্থ্যসেবা প্রসারে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট চালু<gwmw style="display:none;"></gwmw>

বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসনসহ ৭ দফা দাবি অফিসার্স কাউন্সিলের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা এবং আইন কাঠামো সংস্কারসহ ৭ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল। ব্যাংক খাতের সুশাসন নিশ্চিত করতে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ফেরাতে এই দাবিগুলো উত্থাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাউন্সিলের পক্ষ থেকে এসব দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

আইনি সংস্কারের দাবি

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যকর ও স্বাধীন ভূমিকা নিশ্চিত করতে ‘ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১’ সংশোধন করা জরুরি। কাউন্সিল মনে করে, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধানের সংস্কার ছাড়া আর্থিক খাতে টেকসই সুশাসন বজায় রাখা সম্ভব নয়।

সাত দফা দাবির মূল বিষয়সমূহ:

কাউন্সিলের পক্ষ থেকে যে গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো তুলে ধরা হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল: স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া বা যথাযথ মূল্যায়ন ছাড়া নিয়োগপ্রাপ্ত সকল উপদেষ্টা, পরামর্শক ও কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করা।
  • প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা: দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো কর্মকর্তা যাতে হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
  • পদোন্নতি ও নিয়োগের জটিলতা নিরসন: বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের নিয়মিত নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রমে বিদ্যমান দীর্ঘসূত্রতা বা অচলাবস্থা দূর করা।
  • গভর্নরের সক্রিয় ভূমিকা: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে গভর্নরের পূর্ণ মনোযোগ ও সক্রিয় সময় নিশ্চিত করা।
  • দায়িত্বশীল বক্তব্য: গণমাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি ও পদ্ধতি নিয়ে যে কোনো ধরণের অসংলগ্ন বা খেয়ালি বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকা।

আন্দোলনের প্রেক্ষাপট

সংবাদ সম্মেলনে কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা শ্রাবণ জানান, এই দাবিগুলো দীর্ঘদিনের। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদের কাছে এই লক্ষ্যে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ৫ নভেম্বর এবং ২৩ ডিসেম্বর গভর্নরের কাছেও বারবার অনুরোধ জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মর্যাদা ও স্বায়ত্তশাসন রক্ষায় প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হলে তারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।