বুধবার ৪ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
ঋণখেলাপির সংস্কৃতি থেকে ব্যাংক লুটপাট: আর্থিক খাতের দুর্দশার জন্য দায়ী করলেন ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ পাবনায় কৃষি ও এসএমই উদ্যোক্তাদের ২.৭০ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করল ব্যাংকসমূহ অভিবাসী শ্রমিকের সুরক্ষা ও শক্তিশালী ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের আহ্বান বিএলএস-এফইএস যুব সম্মেলনে সংশোধিত সাইবার আইনে নাগরিকদের কণ্ঠরোধ না করার আহ্বান—ভয়েস ফর রিফর্মের সংলাপ ব্যাংকিং খাত স্থিতিশীলকরণে সিস্টেমিক ঝুঁকি ও আমানতকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে বিআইবিএম-এর কর্মশালা জুলাই-অক্টোবর সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১১.০৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম; রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৪১ বিলিয়ন ডলার অস্ট্রেলিয়ার নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ, বিএসআরইএর সংবাদ সম্মেলন ২০২৬ সালে মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতের চেয়ে এগিয়ে থাকতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ মৎস্য খাতের শ্রমিকদের আইনি সুরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার দাবি: বিলস-এফইএস সংলাপ

বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত পুনরুজ্জীবনে ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর (বিডিইকোনমি):বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবিত করতে ঘোষিত ২০ হাজার কোটি টাকার প্রাক-পুনঃঅর্থায়ন (প্রি-রিফাইন্যান্স) স্কিমের আওতায় ঋণের সর্বোচ্চ সুদের হার ৭ শতাংশ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

একই সঙ্গে ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে ছয় মাসের ‘গ্রেস পিরিয়ড’ সুবিধা ঘোষণা করা হয়েছে। এই গ্রেস পিরিয়ড চলাকালে গ্রাহকের কাছ থেকে কোনো ধরনের সুদ আদায় করা যাবে না।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়, প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদের হিসাবসহ মোট সুদের অর্থ আদায় শুরু হবে ছয় মাসের এই গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর।

এর আগে গত ৪ জুন ও ৭ জুলাই জারি করা দুটি পৃথক সার্কুলারের মাধ্যমে ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়তা প্রাক-পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’ গঠন ও এর নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

হালনাগাদ নির্দেশনায় পূর্বের সার্কুলারে ব্যবহৃত ‘বৃহৎ শিল্প’ শব্দটির পরিবর্তে কেবল ‘শিল্প’ শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। ফলে স্কিমের আওতায় অর্থায়নের পরিধি আরও প্রসারিত হলো এবং বৃহৎ শিল্পের বাইরেও অন্যান্য যোগ্য শিল্প প্রতিষ্ঠান এই সুবিধা পাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৪ শতাংশ সুদে প্রাক-পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা পাবে। তবে ব্যাংকগুলোকেও প্রাথমিক ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ডে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে কোনো সুদ পরিশোধ করতে হবে না। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের অর্জিত সুদসহ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদ পরিশোধ করতে হবে।

একইভাবে গ্রাহক পর্যায়ে ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ৭ শতাংশের বেশি সুদ নিতে পারবে না। গ্রাহকরাও প্রথম ছয় মাস পূর্ণ ছাড় পাবেন এবং এরপর থেকে নিয়মিত সুদের পাশাপাশি প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদ পরিশোধ করবেন।

আবেদনের সুবিধাজনক সময়সীমা:

স্কিমের আওতায় আবেদনের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা রাখেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাহবিল খালি থাকা সাপেক্ষে স্কিমের মেয়াদকালের (৩ বছর) যেকোনো সময়ে যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো এ অর্থায়নের জন্য আবেদন করতে পারবে। এর ফলে যেসব প্রতিষ্ঠান শুরুতে আবেদন করতে পারবে না, তারা পরবর্তীতেও তহবিল থাকা সাপেক্ষে আবেদনের সুযোগ পাবে।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পুনরায় চালু করতেই এই ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।