সোমবার ৫ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
পরিকল্পিত নগরায়ণে জেলা ও সিটি করপোরেশনে নতুন মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তীব্র সংকটের মাঝেই বাড়ল এলপিজির দাম, খুচরা বাজারে অস্থিরতা জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদার: রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি অর্থনীতি পরিচালনায় ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস, নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের জন্য নীতির ওপর দায় চাপাচ্ছেন মার্কিন নাগরিকরা প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে সম্মত বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া ৫৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে শুরু হলো ‘রভি-দৃষ্টি ডিবেট চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’ রপ্তানি বাড়ছে, ভরসা এখনো পোশাকে—বৈচিত্র্যের নতুন ইঞ্জিন কি তৈরি হচ্ছে?<gwmw style="display:none;"></gwmw> তৃতীয় দফায় ৪ অক্টোবর ৭,৬৪১ গ্রাহককে ২৬.৩৭ কোটি টাকা দিচ্ছে আইডিআরএ<gwmw style="display:none;"></gwmw> ডেঙ্গু মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৫ লাখ টেস্ট কিট দিল যুক্তরাষ্ট্র

পরিকল্পিত নগরায়ণে জেলা ও সিটি করপোরেশনে নতুন মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকা, ৫ অক্টোবর (বিডিইকোনমি): দেশে পরিকল্পিত ও সুষম নগরায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিটি জেলা ও সিটি করপোরেশনের জন্য মাস্টারপ্ল্যান (মহাপরিকল্পনা) প্রণয়ন করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও সোমবার (৬ অক্টোবর) ‘সবার জন্য পর্যাপ্ত বাসস্থান’ (Adequate Housing for All) প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্ব বসতি দিবস পালিত হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার ‘সবার জন্য বাসস্থান’ বলতে কেবল একটি মাথার ওপর ছাদকে বোঝায় না; বরং নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধাসংবলিত সমন্বিত নিশ্চয়তাকে বোঝায়। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নেই দেশজুড়ে জেলা ও সিটি করপোরেশন পর্যায়ে মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর এবং নারায়ণগঞ্জে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের মাধ্যমে পরিকল্পিত ও সুষম নগর উন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই শহর গড়ে তোলার পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি-১১) অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দ্রুত নগরায়ণের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা ও অন্যান্য শহরগুলোর দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে যানজট, দূষণ, অপ্রতুল নাগরিক সেবা, আবাসন সংকট এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত স্থানান্তরের মতো নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ন এবং নিম্ন আয়ের পরিবার ও বস্তিবাসীদের জন্য সাশ্রয়ী বাসস্থানের স্পষ্ট অঙ্গীকার রয়েছে। এর মধ্যে বস্তিবাসীদের গৃহের মালিকানা পাওয়ার সুযোগ তৈরি করা এবং সমন্বিত বর্জ্য ও পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার বিষয় অন্তর্ভুক্ত।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, সবার জন্য বাসস্থানের সুব্যবস্থা কেবল সরকারের একক দায়িত্ব নয়। এতে বেসরকারি বিনিয়োগকারী, স্থানীয় সম্প্রদায়, এনজিও, সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন, বস্তি উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, গ্রাম কিংবা শহর—যেখানেই নাগরিকরা বাস করুন না কেন, তাদের জন্য মানসম্মত ও নিরাপদ বাসস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করে একটি মানবিক, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।