শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ পাঁচটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক জেবিসিসিআই-এর নতুন মেয়াদে সভাপতি কাজুকি কাতাওকা, ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের পূর্ণাঙ্গ পর্ষদ ঘোষণা ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস পালিত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে ৩৬ শতাংশ পর্যন্ত ২০ দিনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত প্রত্যাহার ৩,২৪৫ কোটি টাকা ঢাকার বসুন্ধরায় সনির প্রথম অনুমোদিত ক্যামেরা সার্ভিস সেন্টার উদ্বোধন সাড়ে ৫ বছর পর ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে টাকা: বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ও ইউনানের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির উদ্যোগ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ১৪তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত

প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ পাঁচটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর (বিডিইকোনমি): দেশে প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ পাঁচটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সিদ্ধান্তের ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে লেটার অব ইন্টেন্ট (এলওআই) প্রদান করবে, যা দিয়ে তারা ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরুর প্রাথমিক প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারবে।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নবনিযুক্ত গভর্নর মো. মোস্তাফিজুর রহমান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

অনুমোদন পাওয়া পাঁচটি ডিজিটাল ব্যাংক হলো—

  • মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশের ‘বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক’
  • বাংলালিংকের ‘নোভা ডিজিটাল ব্যাংক’
  • রবি আজিয়াটার ‘বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক’
  • ভুটানের ডিকে ব্যাংকের উদ্যোগে ‘ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান’
  • টেকনোহ্যাভেনের ‘কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক’

অনুমোদনের উদ্দেশ্যে জমা পড়া ১২টি আবেদনের মধ্য থেকে প্রাথমিক পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে এলওআই দেওয়ার জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্বে থাকাকালীন ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য পুনরায় আবেদন আহ্বান করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বরের মধ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী, ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা, মোবাইল অপারেটর এবং এমএফএস সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসহ মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন জমা দেয়।

তবে তৎকালীন গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের মেয়াদে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও অন্যান্য জটিলতার কারণে অনুমোদন প্রক্রিয়া থমকে যায়। পরবর্তীতে বিএনপি সরকার গঠনের পর আহসান এইচ মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হন নতুন গভর্নর মো. মোস্তাফিজুর রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন করে কোনো আবেদন না নিয়ে পূর্বের ১২টি আবেদন পর্যালোচনার মাধ্যমেই পর্ষদ সভায় পাঁচটি ব্যাংককে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।