শুক্রবার ৯ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
সিএমএসএমই খাতের ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল নভেম্বরের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের বাংলাদেশে সাশ্রয়ী জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে আগ্রহী তুরস্ক, এফএসআরইউ ও এলএনজি খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব ক্যাশলেস স্বাস্থ্যসেবা প্রসারে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট চালু<gwmw style="display:none;"></gwmw> বাংলাদেশে রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসা বিক্রির সম্ভাবনা যাচাই করছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড জ্বালানি সংকটে থমকে যাচ্ছে অর্থনীতির গতি, দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের ট্যাক্স হ্যাভেনের দিন শেষ, বিশ্বজুড়ে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের কৌশল বদলাচ্ছে: আইএমএফ আজকের ডিজিটালের ব্যবধান যেন আগামী দিনের এআই ডিভাইডে পরিণত না হয়: ইস্তাম্বুলে আইসিটি মন্ত্রী জাহাজশিল্পের বিশ্ববাজার ধরতে অনুমোদন সহজ করার উদ্যোগ, দ্রুত টিএসডিএফ স্থাপনের নির্দেশ ঢাকায় এলপিজির তীব্র সংকট, সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম উপেক্ষা করে দেদারসে বাড়তি আদায়

ব্যাংকগুলোকে জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতি ডেস্ক (বিডি ইকোনমি): দেশের চরম তারল্য সংকটে পড়া বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকদের আমানতের টাকা ফেরত দেওয়ার সুবিধার্থে গত ৬ জুন পর্যন্ত মোট ৭৫ হাজার ৯০৩ কোটি টাকা জরুরি তারল্য সহায়তা (ইমার্জেন্সি লিকুইডিটি সাপোর্ট) দেওয়া হয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য মুসাম্মাত শাম্মী আক্তারের (মহিলা আসন-২২) এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, তারল্য সংকটের কারণে যেসব ব্যাংক আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না, কেন্দ্রীয় ব্যাংক (বাংলাদেশ ব্যাংক) বিভিন্ন সময়ে সেগুলোকে জরুরি তারল্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় গত ৬ জুন পর্যন্ত ব্যাংকগুলোকে মোট ৭৫ হাজার ৯০৩ দশমিক ১১ কোটি টাকা জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তবে অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এফআই) ক্ষেত্রে এ ধরনের কোনো তারল্য সহায়তা দেওয়া হয় না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি সংসদকে জানান, তারল্য সংকটে পড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে সরকার ইতিমধ্যে ‘ব্যাংক রেজোলিউশন আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে। এই নতুন আইনের আলোকে সংকটে পড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর তারল্য সংকট কাটাতে সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানুর অপর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষার অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতিমধ্যে ৫টি ব্যাংককে অকার্যকর ঘোষণা করে রেজোলিউশন (পুনর্গঠন বা অবসায়ন প্রক্রিয়া) কাঠামোর আওতায় এনেছে।

এই ৫টি ব্যাংক হলো— এক্সিম ব্যাংক পিএলসি, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এবং ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি।

এছাড়া, ‘ব্যাংক রেজোলিউশন স্কিম, ২০২৫’-এর শর্ত অনুযায়ী ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র আমানতকারীদের পাওনা পরিশোধ করা হচ্ছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমানত সুরক্ষা আইন, ২০২৬’-এর অধীনে সুরক্ষিত আমানতের সীমা ১ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট (চলতি হিসাব) অনুযায়ী আমানত সুরক্ষা তহবিল থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে।