মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
২০২৬ সালের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে দেশের নিট এফডিআই বেড়েছে ১২.৭৮ শতাংশ, মূল চালিকাশক্তি পুনর্বিনিয়োগকৃত আয় জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে তিন মূল ভিত্তির ওপর জোর দিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ড. এ.কে.এম. শামছুল ইসলাম ব্যস্ত পেশাজীবীদের জন্য ভিভো ওয়াই৩২: দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ও বিশেষ অফারে বাজারে এলো নতুন স্মার্টফোন<gwmw style="display:none;"></gwmw> ডিজিটাল জালিয়াতি রোধ ও সচেতনতার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ‘বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ ২০২৬’ হয়রানি বন্ধ ও কমিশন পুনর্নির্ধারণের দাবিতে ১৫-১৬ অক্টোবর এলপিজি পরিবেশকদের দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক মোংলা ইপিজেডে ১৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে চীনের লংটেং গার্মেন্টস<gwmw style="display:none;"></gwmw> ইসলামী ব্যাংকের ১৬৮তম ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম শুরু মেটলাইফের বীমা সুবিধা পাবেন উল্কাসেমির কর্মীরা বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করল টেটনের এআই নির্ভর বহনযোগ্য ‘মাই ইসিজি’ যন্ত্র

বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করল টেটনের এআই নির্ভর বহনযোগ্য ‘মাই ইসিজি’ যন্ত্র

ঢাকা, ১১ অক্টোবর (বিডিইকোনমি): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নির্ভর বহনযোগ্য ইসিজি যন্ত্র ‘মাই ইসিজি এআই প্রো’ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করেছে। মাত্র ৭ হাজার টাকা মূল্যের এই ডিভাইসটি বাজারে এনেছে টেটন ইলেকট্রনিক্স। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে তৈরি এই যন্ত্রটি দিয়ে বাসা বাড়িতে বসেই নিজে নিজে ইসিজি করা সম্ভব এবং এর রিপোর্ট সরাসরি স্মার্টফোনে চলে আসে। সহজে বহনযোগ্য হওয়ায় দুর্গম এলাকা এবং জেলা সদর হাসপাতাল থেকে দূরের রোগীদের হৃদরোগের চিকিৎসায় এটি অত্যন্ত উপযোগী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রোববার রাজধানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যন্ত্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. খন্দকার আবদুল আউয়াল রিজভী।

অনুষ্ঠানে টেটন প্রাইভেট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. মিজান রহমান বলেন, টেটন প্রযুক্তিকে শুধু একটি পণ্য হিসেবে নয়, মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব সমস্যার সমাধান হিসেবে কাজে লাগাতে চায়।

‘মাই ইসিজি এআই প্রো’ হলো একটি সহজে বহনযোগ্য ১২-লিড ইসিজি যন্ত্র, যা দিয়ে ঘরে বা সুবিধাজনক স্থানে বসে ইসিজি ধারণ (রেকর্ড) করা যায়। মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ইসিজি ধারণের পর ব্যবহারকারী একটি ডিজিটাল পিডিএফ প্রতিবেদন (রিপোর্ট) তৈরি করতে পারেন এবং প্রয়োজনে তা চিকিৎসকের কাছে পাঠাতে বা শেয়ার করতে পারেন। এর ফলে ইসিজি করানোর জন্য বারবার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমবে। তবে ইসিজি প্রতিবেদনের মূল্যায়ন ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক বলে জানানো হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, স্বাস্থ্য প্রযুক্তিকে সহজে ব্যবহারযোগ্য ও মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসাই তাদের মূল লক্ষ্য। এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে রোগী ও চিকিৎসকের মধ্যে জরুরি স্বাস্থ্য তথ্যের আদান-প্রদান আরও সহজতর হবে।