ঢাকা, ৮ অক্টোবর (বিডিইকোনমি): বাংলাদেশে কম খরচে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ), তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং হেভি ফিউয়েল অয়েল (এইচএফও) সহ সাশ্রয়ী ও কার্যকর বিদ্যুৎ-জ্বালানি সরবরাহে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে তুরস্ক।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথা জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত তুর্কি রাষ্ট্রদূত রামিস সেন (Ramis Şen)।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কারিগরি ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ দেশের অচল বা অলস পড়ে থাকা বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো চালু করা এবং জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা সুসংহত করতে সাশ্রয়ী ও টেকসই জ্বালানি সরবরাহের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাৎকালে তুর্কি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বাণিজ্য কাউন্সেলর বিলাল বেলইুর্ত এবং তুরস্কের বিখ্যাত ভাসমান বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ‘কারপাওয়ারশিপ’ (Karpowership)-এর প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল।
তুর্কি প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে দ্রুততম সময়ে মন্ত্রণালয়ে তাদের প্রস্তাবনা উপস্থাপনের ইচ্ছা প্রকাশ করে। জ্বালানি মন্ত্রী এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানান এবং বিস্তারিত মূল্যায়নের জন্য প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আরও পর্যালোচনার সম্মতি জ্ঞাপন করেন।
রাষ্ট্রদূত রামিস সেন জানান, কৌশলগত জ্বালানি খাতসহ বাংলাদেশে বিভিন্ন উদীয়মান খাতে বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বাড়াতে তুরস্ক অঙ্গীকারবদ্ধ।
বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. জিয়াউল হকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।