বুধবার ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিবিসিসিআই’র ডিরেক্টর নির্বাচিত হলেন জহিরুল ইসলাম, আজীবন সদস্য পদ পেলেন কিবরিয়া ও মোর্তুজা<gwmw style="display:none;"></gwmw> দ্বিতীয় প্রান্তিকে সাব-ব্রাঞ্চে আমানত বেড়ে ৮৪,২৬৩ কোটি টাকা, ঋণ বিতরণ কমেছে ৭.৭ শতাংশ<gwmw style="display:none;"></gwmw> US cotton warehouse to launch in Chattogram in mid-November to boost bilateral trade তা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর তীব্র আপত্তি<gwmw style="display:none;"></gwmw> রাজধানীতে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ১১তম ‘বাপা ফুডপ্রো আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ২০২৪’ ‘ওয়ান বাই মেটলাইফ’ অ্যাপে গ্রাহকদের জন্য নতুন ৪ ফিচার যুক্ত ২০২৮ সালের মধ্যে শেয়ারবাজারে ডেরিভেটিভস চালুর লক্ষ্য: ডিএসই ঋণের জামানত মূল্যায়নে ১৩১ প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্য অর্থায়ন বাড়াতে সিটি ব্যাংকে আইটিএফসির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল

রেকর্ড রেমিট্যান্স প্রবাহ: ৬ মাসে দেশে এলো ১৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : নতুন বছরের শুরুতেই বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য সুখবর হয়ে এসেছে প্রবাসী আয়ের জোয়ার। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসেই (জুলাই-ডিসেম্বর) দেশে ১৬.২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এর মধ্যে সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে রেকর্ড ৩.২২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

উর্ধ্বমুখী ডিসেম্বরের সূচক বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসে আসা ৩.২২ বিলিয়ন ডলারের এই রেমিট্যান্স গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২.৩ শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ২.৬৩ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ০.৫৯ বিলিয়ন ডলার।

৬ মাসের তুলনামূলক চিত্র চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ১৬.২৬ বিলিয়ন ডলারে। গত অর্থবছরের (২০২৪-২৫) একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১৩.৭৭ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসেবে অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ২.৪৯ বিলিয়ন ডলার, যা শতাংশের হিসেবে ১৮.১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তি রেমিট্যান্সের এই বিশাল প্রবাহের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বাজার স্থিতিশীল রাখতে ও ডলারের চাহিদা-জোগান নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে চলতি অর্থবছরে ৩.১৩ বিলিয়ন ডলার ক্রয় করেছে।

এর ফলে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত দেশের মোট গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩.১৮ বিলিয়ন ডলারে, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় এই রিজার্ভ কমে ২৫.৫৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। এছাড়া আইএমএফ-এর (BPM6) হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ ২৮.৫১ বিলিয়ন ডলার, যা আগে ছিল ২০.৪৭ বিলিয়ন ডলার।

সফলতার নেপথ্যে ব্যাংকিং খাতে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে সরকারি প্রণোদনা, ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে প্রবাসীদের উৎসাহ প্রদান এবং এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সক্রিয় ভূমিকার কারণে এই অভাবনীয় প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত থাকায় এক্সচেঞ্জ রেট বা ডলারের দামও স্থিতিশীল রয়েছে।