শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিবিসিসিআই’র ডিরেক্টর নির্বাচিত হলেন জহিরুল ইসলাম, আজীবন সদস্য পদ পেলেন কিবরিয়া ও মোর্তুজা<gwmw style="display:none;"></gwmw> দ্বিতীয় প্রান্তিকে সাব-ব্রাঞ্চে আমানত বেড়ে ৮৪,২৬৩ কোটি টাকা, ঋণ বিতরণ কমেছে ৭.৭ শতাংশ<gwmw style="display:none;"></gwmw> US cotton warehouse to launch in Chattogram in mid-November to boost bilateral trade তা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর তীব্র আপত্তি<gwmw style="display:none;"></gwmw> রাজধানীতে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ১১তম ‘বাপা ফুডপ্রো আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ২০২৪’ ‘ওয়ান বাই মেটলাইফ’ অ্যাপে গ্রাহকদের জন্য নতুন ৪ ফিচার যুক্ত ২০২৮ সালের মধ্যে শেয়ারবাজারে ডেরিভেটিভস চালুর লক্ষ্য: ডিএসই ঋণের জামানত মূল্যায়নে ১৩১ প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্য অর্থায়ন বাড়াতে সিটি ব্যাংকে আইটিএফসির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল

ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিভাগীয় মামলা ২ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০০৫ সালের সার্কুলারে সংশোধন; দীর্ঘসূত্রতা ও ক্যারিয়ার অনিশ্চয়তা কাটানোর উদ্যোগ।

ঢাকা, ২৬ জুলাই (বিডিইকোনমি): ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আনীত শৃঙ্খলাজনিত অভিযোগ ও বিভাগীয় মামলা সর্বোচ্চ দুই মাসের (৬০ দিন) মধ্যে নিষ্পত্তি করার বাধ্যতামূলক নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার (২৬ জুলাই) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধান ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে পাঠানো হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫’-এর সঙ্গে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ব্যবস্থার সামঞ্জস্য বিধান করতেই এই সংশোধন আনা হয়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগ, চাকরি বিধিমালা এবং ব্যাংক পরিবর্তনের নীতিসংক্রান্ত ২০০৫ সালের ৪ মে জারি করা বিআরপিডি সার্কুলার নম্বর-০৬-এর ২(খ) অনুচ্ছেদটি সংশোধন করে নতুন এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশোধিত সার্কুলার অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গ বা অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান থাকলে তা ব্যাংকের চাকরি বিধি অনুসরণ করে পরবর্তী দুই মাসের মধ্যে অবশ্যই গুটিয়ে আনতে বা নিষ্পত্তি করতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, এতদিন নিষ্পত্তির কোনো কঠোর সময়সীমা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তদন্ত ঝুলিয়ে রাখা হতো। এতে ব্যাংক কর্মকর্তাদের পেশাগত জীবনে দীর্ঘ অনিশ্চয়তা তৈরি হতো এবং নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র বা অভিজ্ঞতা সনদ পেতে মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়তে হতো।

সার্কুলারে বলা হয়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ২০০৫ সালের মূল সার্কুলারের অন্যান্য বিধান আগের মতোই বহাল থাকবে।

ব্যাংকিং খাত বিশ্লেষকদের মতে, নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়ায় ব্যাংকের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা ও সুশাসন নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি যোগ্য ব্যাংকারদের অহেতুক হয়রানি থামবে এবং পদোন্নতি বা কর্মস্থল পরিবর্তনের সুযোগ মসৃণ হবে।