বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ১ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে ১.৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১.২৮ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় এপ্রিলের প্রথম দুই সপ্তাহে রেমিট্যান্স প্রবাহে ২৫.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
অর্থবছরের চিত্র: চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে (১ জুলাই) ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ২৭.৮১ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে এই অংক ছিল ২৩.০৬ বিলিয়ন ডলার। বছরওয়ারি হিসেবে রেমিট্যান্স প্রবাহে ২০.০৬ শতাংশ শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।
প্রবৃদ্ধির নেপথ্যে: বিশ্লেষক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা এই “অপ্রত্যাশিত” এবং শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি মূল কারণ চিহ্নিত করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে:
- মার্কিন ডলারের বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা।
- উন্নত দেশগুলোতে কর্মরত প্রবাসীদের আয়ের স্তর বৃদ্ধি।
- বৈশ্বিক অর্থনীতির ধারাবাহিক পুনরুদ্ধার।
অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা এই ইতিবাচক প্রবণতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করছেন, প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি বৈদেশিক মুদ্রার সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং জাতীয় অর্থনীতির বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে।