রবিবার ৪ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
অর্থনীতি পরিচালনায় ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস, নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের জন্য নীতির ওপর দায় চাপাচ্ছেন মার্কিন নাগরিকরা প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে সম্মত বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া ৫৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে শুরু হলো ‘রভি-দৃষ্টি ডিবেট চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’ রপ্তানি বাড়ছে, ভরসা এখনো পোশাকে—বৈচিত্র্যের নতুন ইঞ্জিন কি তৈরি হচ্ছে?<gwmw style="display:none;"></gwmw> তৃতীয় দফায় ৪ অক্টোবর ৭,৬৪১ গ্রাহককে ২৬.৩৭ কোটি টাকা দিচ্ছে আইডিআরএ<gwmw style="display:none;"></gwmw> ডেঙ্গু মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৫ লাখ টেস্ট কিট দিল যুক্তরাষ্ট্র জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৩ শতাংশ, এসেছে ৮.৫৭ বিলিয়ন ডলার বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমলেও নীতি সুদহার ৯.৫০ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখে প্রথম প্রান্তিক মুদ্রানীতি ঘোষণা করল বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেন ৫ গুণ বেড়ে ১৪৩.৫৪ কোটি টাকায় উন্নীত, ১ অক্টোবর থেকে মিলবে নতুন সুবিধা: বাংলাদেশ ব্যাংক

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে জল্পনা নয়, ধৈর্য ধরার আহ্বান গভর্নরের

ঢাকা, ৩০ জুন (বিডিইকোনমি) — ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশকে ঘিরে চলমান নানা জল্পনা-কল্পনা ও গুঞ্জন থেকে বিরত থাকার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

তিনি সতর্ক করে বলেছেন, অতিরিক্ত ‘স্পেকুলেশন’ বা অনুমাননির্ভর আলোচনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তাই সবাইকে ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার অনুরোধ জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে ২০২৬ সালের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদের নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর বলেন, “আমার কাছে মনে হচ্ছে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে অনেক বেশি স্পেকুলেশন হচ্ছে। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো, একটু ধৈর্য ধরুন। পরিস্থিতি দেখুন। অপ্রয়োজনীয় কোনো আলোচনা না করাই ভালো।”

ব্যাংক খাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের তারল্য সহায়তার (লিকুইডিটি সাপোর্ট) তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন ব্যাংককে মোট ১৭ হাজার ২৫০ কোটি টাকা তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেই সহায়তার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার কোটি টাকায়।”

মো. মোস্তাকুর রহমান আরও বলেন, “আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম চার মাস কোনো ব্যাংককে লিকুইডিটি সাপোর্ট দিতে হয়নি। এটিকে আমাদের জন্য একটি ইতিবাচক দিক বলা যায়। তবে ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে ১৩ হাজার কোটি টাকা লিকুইডিটি সাপোর্ট দিতে হয়েছে।”

তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে কোনো সিদ্ধান্তই আইনের বাইরে গিয়ে নেওয়া হবে না।

“ইসলামী ব্যাংক একটি ব্যাংকিং কোম্পানি এবং এটি ব্যাংক কোম্পানি আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। আমরা আইনের বাইরে কোনো কাজ করবো না,” বলে পুনর্ব্যক্ত করেন গভর্নর।