মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ মাসে জ্বালানিতে অতিরিক্ত খরচ ৪১২ কোটি ডলার: উপদেষ্টা তিতুমীর সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করল সরকার নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ: ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিতরণ ছাড়িয়েছে ১৪,৫১৯ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ ব্যবসার লাইসেন্সে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত সার্কুলার জারি গবেষণা, প্রযুক্তি ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান: এইউএসটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন শুরু ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলা ও আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ, মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

খনার বচনে স্বাস্থ্য ও কৃষি ভাবনা: ভিন্ন আঙ্গিকে বেক্সিমকো ফার্মার বৈশাখ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে ‘বচনে বাঁচুন’ প্রতিপাদ্যে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি। বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খনার বচনকে উপজীব্য করে এবারের বৈশাখকে বরণ করে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ইতিহাসবিদদের মতে, অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে বিদুষী নারী খনা কৃষি, আবহাওয়া এবং জীবনযাপন নিয়ে যে বচনগুলো রচনা করেছিলেন, তা আজও গ্রামীণ ও নাগরিক জীবনে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। বিশেষ করে কৃষিকাজ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খনার বচন বাঙালির লোকজ জ্ঞানের এক অনন্য আধার।

প্রতিপাদ্যে স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন

এবারের বৈশাখ উদযাপনে বেক্সিমকো ফার্মা তাদের অফিস সজ্জা ও বার্ষিক ক্যালেন্ডারে খনার বিখ্যাত কিছু বচন তুলে ধরেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—‘আলো হাওয়া বেঁধো না/ রোগে ভোগে মরো না’, ‘সকাল শোয় সকাল ওঠে/ তার কড়ি না বৈদ্য লুটে’ এবং ‘চাষী আর চষা মাটি/ এ দু’য়ে হয় দেশ খাঁটি’। এই বচনগুলোর মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেতনতা, নিয়মতান্ত্রিক জীবন এবং কৃষির গুরুত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক বিজ্ঞানের মেলবন্ধন

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রাব্বুর রেজা এই উদ্যোগ সম্পর্কে বলেন, “খনার বচন বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। সুস্থ জীবন ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস নিয়ে খনার বচনগুলোর তাৎপর্য আজও ফুরিয়ে যায়নি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই দর্শনগুলো মানুষকে সুস্থ থাকার পথ দেখাচ্ছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “বেক্সিমকো ফার্মা সেই লোকজ বিশ্বাসের সঙ্গে আধুনিক বিজ্ঞানের সমন্বয় ঘটিয়ে মানুষের সেবায় কাজ করছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণার মাধ্যমে টেকসই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা বিশ্বাস করি, ঐতিহ্যের শেকড় আর বিজ্ঞানের শক্তি মিলেই দেশের মানুষের জন্য একটি সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।”

নতুন বছরের অঙ্গীকার

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, নতুন বাংলা বছরে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা ও দায়িত্বশীল ওষুধ উৎপাদনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি ধাপে নির্ভরযোগ্য সমাধান নিয়ে তারা মানুষের পাশে থাকবে। খনার বচনের সেই প্রাচীন প্রজ্ঞা আর আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের মেলবন্ধনে একটি রোগমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের আশাবাদ ব্যক্ত করা হয় এই উদযাপনে।