শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিবিসিসিআই’র ডিরেক্টর নির্বাচিত হলেন জহিরুল ইসলাম, আজীবন সদস্য পদ পেলেন কিবরিয়া ও মোর্তুজা<gwmw style="display:none;"></gwmw> দ্বিতীয় প্রান্তিকে সাব-ব্রাঞ্চে আমানত বেড়ে ৮৪,২৬৩ কোটি টাকা, ঋণ বিতরণ কমেছে ৭.৭ শতাংশ<gwmw style="display:none;"></gwmw> US cotton warehouse to launch in Chattogram in mid-November to boost bilateral trade তা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর তীব্র আপত্তি<gwmw style="display:none;"></gwmw> রাজধানীতে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ১১তম ‘বাপা ফুডপ্রো আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ২০২৪’ ‘ওয়ান বাই মেটলাইফ’ অ্যাপে গ্রাহকদের জন্য নতুন ৪ ফিচার যুক্ত ২০২৮ সালের মধ্যে শেয়ারবাজারে ডেরিভেটিভস চালুর লক্ষ্য: ডিএসই ঋণের জামানত মূল্যায়নে ১৩১ প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্য অর্থায়ন বাড়াতে সিটি ব্যাংকে আইটিএফসির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল

১১ মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে ৩.৪১%: ইইউ-ইউএসএতে মন্দা হলেও কানাডায় প্রবৃদ্ধি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা : চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৫.৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পূর্ববর্তী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই আয় ৩.৪১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

দেশের রপ্তানি অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি এই খাতটি তার প্রথাগত ও অপ্রচলিত—উভয় বাজারেই সামান্য সংকোচনের মুখোমুখি হয়েছে। তবে এই মন্দাভাবের মধ্যেও একমাত্র কানাডার বাজারে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রয়েছে।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক ও শিল্প বিশ্লেষক মহিউদ্দিন রুবেল জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশি পোশাকের সবচেয়ে বড় গন্তব্য হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। মোট পোশাক রপ্তানির প্রায় অর্ধেক, অর্থাৎ ৪৯.১৫ শতাংশই গেছে ইইউভুক্ত দেশগুলোতে। তবে এই বাজার থেকে রপ্তানি আয় ৪.৮৮ শতাংশ কমে ১৭.৩৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

মোট রপ্তানির ১৯.৯০ শতাংশ শেয়ার নিয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্তব্য হিসেবে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আলোচ্য সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৭.০৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে সামান্য (০.০৪ শতাংশ) কম।

অন্যদিকে, পশ্চিমা বিশ্বের অন্যান্য প্রধান বাজারগুলোতে রপ্তানির মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। মোট রপ্তানিতে ১১.৩৮ শতাংশ হিস্যা থাকা যুক্তরাজ্যের বাজারে রপ্তানি ০.৫০ শতাংশ কমে ৪.০২ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। এর বিপরীতে, বিশ্ববাজারের নেতিবাচক ধারাকে উপেক্ষা করে কানাডার বাজারে ২.২৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে; যেখানে রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ১.২৩ বিলিয়ন ডলারে (শেয়ার ৩.৪৭ শতাংশ)।

প্রথাগত বাজারের পাশাপাশি অপ্রচলিত বা নতুন বাজারগুলোতেও রপ্তানি হ্রাস পেয়েছে। এই উদীয়মান বাজারগুলো থেকে সম্মিলিত রপ্তানি আয় ৫.৯৫ শতাংশ কমে ৫.৬৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা মোট পোশাক রপ্তানির ১৬.০৯ শতাংশ।

পণ্যভিত্তিক পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তৈরি পোশাক খাতের প্রধান দুটি খাতেই নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এই ১১ মাসে নিটওয়্যার খাতের রপ্তানি কমেছে ৪.২৬ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক খাতের রপ্তানি হ্রাস পেয়েছে ২.৪২ শতাংশ।