রবিবার ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ:
দেশে গ্যাসের মজুদ ৭.৬৩ টিসিএফ, চলবে ১২ বছর: জ্বালানি মন্ত্রী সার্ক পুনরুজ্জীবন, আঞ্চলিক শান্তি ও বৈশ্বিক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হামের টিকা পেয়েছে ১৯ লাখ ৫৩ হাজার শিশু  এপ্রিলে প্রথম ১৮ দিনেই আসলো ১.৯৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স<gwmw style="display:none;"></gwmw> এস আলমের গ্রেপ্তার ও পাচার করা সম্পদ উদ্ধারের দাবি ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক পরিষদের ঢাকায় অ্যামচ্যাম-এর ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের মওকুফ দিল যুক্তরাষ্ট্র সুশাসনের অভাবে ধুঁকছে ব্যাংকিং খাত: ১৭ ব্যাংক লোকসানে, ১১ ব্যাংকের সিএসআর শূন্য

যাত্রীর মালামাল হারানোর অভিযোগে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ

ঢাকা, ১৯ আগস্ট : গত ১৪ আগস্ট ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের আগমনী ফ্লাইট (BS-350) এর যাত্রী মোঃ সোহাগ সকাল ৫:২০ ঘটিকায় আবুধাবি থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগমন করেন।

আনুমানিক ০৯:১৫ ঘটিকার সময় উক্ত যাত্রীকে আন্তর্জাতিক আগমনী টার্মিনালের ক্যানোপি-১ এলাকায় তার লাগেজ থেকে মালামাল চুরির অভিযোগসহ কান্নারত অবস্থায় পাওয়া যায়। যাত্রী দাবি করেন, তার লাগেজ থেকে একটি পাওয়ার ব্যাংক, চার্জার, একটি স্বর্ণের চেইন এবং একজোড়া কানের দুল চুরি হয়েছে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করে যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কোনো মালামাল হারায়নি/চুরি যায়নি। যাত্রীর ব্যাগে (কাগজের কার্টন) থাকা পাওয়ার ব্যাংক আবুধাবি বিমানবন্দরে সিকিউরিটি আইটেম হিসেবে অপসারণ করে টেপ দিয়ে সিল করে দেওয়া হয়েছিল। অন্যান্য আইটেমের বিষয়ে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী বিমানে স্বর্ণালঙ্কার বা মূল্যবান জিনিসপত্র চেকইন লাগেজে বহন নিরুৎসাহিত করা হয় কিন্তু একান্তই আনতে হলে বিষয়টি অবশ্যই এয়ার লাইনস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। কিন্তু উক্ত যাত্রী এয়ার লাইনস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা ছাড়া তার চেকইন লাগেজে স্বর্ণের অলংকার নিয়ে আসেন, যা নিয়ম বহির্ভূত।

পরবর্তীতে ঘটনাটি বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থাপন করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সকে যাত্রীর লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করে তা মেইল আকারে এয়ারলাইন্সের আবুধাবি অফিসে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন। এ নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ইউ এস বাংলা এয়ারলাইনস সম্পূর্ণ ঘটনা উল্লেখ করে আবুধাবি বিমানবন্দরে একটি মেইল প্রেরন করেন যার উত্তর এখনও অপেক্ষমান।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের নিরাপত্তা, সেবার মান এবং অভিযোগের দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করতে সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।