রবিবার ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ:
এপ্রিলে প্রথম ১৮ দিনেই আসলো ১.৯৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স<gwmw style="display:none;"></gwmw> এস আলমের গ্রেপ্তার ও পাচার করা সম্পদ উদ্ধারের দাবি ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক পরিষদের ঢাকায় অ্যামচ্যাম-এর ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের মওকুফ দিল যুক্তরাষ্ট্র সুশাসনের অভাবে ধুঁকছে ব্যাংকিং খাত: ১৭ ব্যাংক লোকসানে, ১১ ব্যাংকের সিএসআর শূন্য রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: আইনমন্ত্রী<gwmw style="display:none;"></gwmw> আর্থিক, রাজস্ব ও বিনিময় হার—তিন খাতে ব্যাপক সংস্কার দরকার: আইএমএফ জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী

খনার বচনে স্বাস্থ্য ও কৃষি ভাবনা: ভিন্ন আঙ্গিকে বেক্সিমকো ফার্মার বৈশাখ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে ‘বচনে বাঁচুন’ প্রতিপাদ্যে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি। বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খনার বচনকে উপজীব্য করে এবারের বৈশাখকে বরণ করে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ইতিহাসবিদদের মতে, অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে বিদুষী নারী খনা কৃষি, আবহাওয়া এবং জীবনযাপন নিয়ে যে বচনগুলো রচনা করেছিলেন, তা আজও গ্রামীণ ও নাগরিক জীবনে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। বিশেষ করে কৃষিকাজ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খনার বচন বাঙালির লোকজ জ্ঞানের এক অনন্য আধার।

প্রতিপাদ্যে স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন

এবারের বৈশাখ উদযাপনে বেক্সিমকো ফার্মা তাদের অফিস সজ্জা ও বার্ষিক ক্যালেন্ডারে খনার বিখ্যাত কিছু বচন তুলে ধরেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—‘আলো হাওয়া বেঁধো না/ রোগে ভোগে মরো না’, ‘সকাল শোয় সকাল ওঠে/ তার কড়ি না বৈদ্য লুটে’ এবং ‘চাষী আর চষা মাটি/ এ দু’য়ে হয় দেশ খাঁটি’। এই বচনগুলোর মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেতনতা, নিয়মতান্ত্রিক জীবন এবং কৃষির গুরুত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক বিজ্ঞানের মেলবন্ধন

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রাব্বুর রেজা এই উদ্যোগ সম্পর্কে বলেন, “খনার বচন বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। সুস্থ জীবন ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস নিয়ে খনার বচনগুলোর তাৎপর্য আজও ফুরিয়ে যায়নি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই দর্শনগুলো মানুষকে সুস্থ থাকার পথ দেখাচ্ছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “বেক্সিমকো ফার্মা সেই লোকজ বিশ্বাসের সঙ্গে আধুনিক বিজ্ঞানের সমন্বয় ঘটিয়ে মানুষের সেবায় কাজ করছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণার মাধ্যমে টেকসই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা বিশ্বাস করি, ঐতিহ্যের শেকড় আর বিজ্ঞানের শক্তি মিলেই দেশের মানুষের জন্য একটি সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।”

নতুন বছরের অঙ্গীকার

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, নতুন বাংলা বছরে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা ও দায়িত্বশীল ওষুধ উৎপাদনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি ধাপে নির্ভরযোগ্য সমাধান নিয়ে তারা মানুষের পাশে থাকবে। খনার বচনের সেই প্রাচীন প্রজ্ঞা আর আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের মেলবন্ধনে একটি রোগমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের আশাবাদ ব্যক্ত করা হয় এই উদযাপনে।