রবিবার ১৯ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
২০২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৫ শতাংশ হতে পারে: আইএমএফ<gwmw style="display:none;"></gwmw> আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকা ইপিজেডে শ্রমিক কল্যাণ ও শ্রম ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করলেন আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর জুলাই আন্দোলনের লক্ষ্য বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আদালতের আদেশে বিএফআইইউর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট বেড়েছে ৭৪% পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী সৌদি আরব পুরনো মালিকদের হাতে ফিরল আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> গভর্নরের সাথে বিটিএমএ-র বৈঠক: বস্ত্র খাতের সংকট মোকাবিলায় নীতিগত সহায়তার দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধির সভাপতিত্বে ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত

খনার বচনে স্বাস্থ্য ও কৃষি ভাবনা: ভিন্ন আঙ্গিকে বেক্সিমকো ফার্মার বৈশাখ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে ‘বচনে বাঁচুন’ প্রতিপাদ্যে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি। বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খনার বচনকে উপজীব্য করে এবারের বৈশাখকে বরণ করে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ইতিহাসবিদদের মতে, অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে বিদুষী নারী খনা কৃষি, আবহাওয়া এবং জীবনযাপন নিয়ে যে বচনগুলো রচনা করেছিলেন, তা আজও গ্রামীণ ও নাগরিক জীবনে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। বিশেষ করে কৃষিকাজ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খনার বচন বাঙালির লোকজ জ্ঞানের এক অনন্য আধার।

প্রতিপাদ্যে স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন

এবারের বৈশাখ উদযাপনে বেক্সিমকো ফার্মা তাদের অফিস সজ্জা ও বার্ষিক ক্যালেন্ডারে খনার বিখ্যাত কিছু বচন তুলে ধরেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—‘আলো হাওয়া বেঁধো না/ রোগে ভোগে মরো না’, ‘সকাল শোয় সকাল ওঠে/ তার কড়ি না বৈদ্য লুটে’ এবং ‘চাষী আর চষা মাটি/ এ দু’য়ে হয় দেশ খাঁটি’। এই বচনগুলোর মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেতনতা, নিয়মতান্ত্রিক জীবন এবং কৃষির গুরুত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক বিজ্ঞানের মেলবন্ধন

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রাব্বুর রেজা এই উদ্যোগ সম্পর্কে বলেন, “খনার বচন বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। সুস্থ জীবন ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস নিয়ে খনার বচনগুলোর তাৎপর্য আজও ফুরিয়ে যায়নি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই দর্শনগুলো মানুষকে সুস্থ থাকার পথ দেখাচ্ছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “বেক্সিমকো ফার্মা সেই লোকজ বিশ্বাসের সঙ্গে আধুনিক বিজ্ঞানের সমন্বয় ঘটিয়ে মানুষের সেবায় কাজ করছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণার মাধ্যমে টেকসই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা বিশ্বাস করি, ঐতিহ্যের শেকড় আর বিজ্ঞানের শক্তি মিলেই দেশের মানুষের জন্য একটি সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।”

নতুন বছরের অঙ্গীকার

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, নতুন বাংলা বছরে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা ও দায়িত্বশীল ওষুধ উৎপাদনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি ধাপে নির্ভরযোগ্য সমাধান নিয়ে তারা মানুষের পাশে থাকবে। খনার বচনের সেই প্রাচীন প্রজ্ঞা আর আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের মেলবন্ধনে একটি রোগমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের আশাবাদ ব্যক্ত করা হয় এই উদযাপনে।