শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিবিসিসিআই’র ডিরেক্টর নির্বাচিত হলেন জহিরুল ইসলাম, আজীবন সদস্য পদ পেলেন কিবরিয়া ও মোর্তুজা<gwmw style="display:none;"></gwmw> দ্বিতীয় প্রান্তিকে সাব-ব্রাঞ্চে আমানত বেড়ে ৮৪,২৬৩ কোটি টাকা, ঋণ বিতরণ কমেছে ৭.৭ শতাংশ<gwmw style="display:none;"></gwmw> US cotton warehouse to launch in Chattogram in mid-November to boost bilateral trade তা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর তীব্র আপত্তি<gwmw style="display:none;"></gwmw> রাজধানীতে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ১১তম ‘বাপা ফুডপ্রো আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ২০২৪’ ‘ওয়ান বাই মেটলাইফ’ অ্যাপে গ্রাহকদের জন্য নতুন ৪ ফিচার যুক্ত ২০২৮ সালের মধ্যে শেয়ারবাজারে ডেরিভেটিভস চালুর লক্ষ্য: ডিএসই ঋণের জামানত মূল্যায়নে ১৩১ প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্য অর্থায়ন বাড়াতে সিটি ব্যাংকে আইটিএফসির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল

ইসলামী ব্যাংকের ত্রৈমাসিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর ৯টি জোন ও ৪টি কর্পোরেট শাখার ত্রৈমাসিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল, ২০২৬) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকের ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করা হয়। ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খান এতে সভাপতিত্ব করেন।

সভাপতির বক্তব্যে মো. ওমর ফারুক খান বলেন, “ইসলামী শরী’াহ ভিত্তিক পরিচালনা এবং কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ের অগ্রদূত—এই দুটি মূলমন্ত্রই ইসলামী ব্যাংকের পথচলার আলোকবর্তিকা। তিনি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের আমদানি-রপ্তানিসহ সার্বিক ব্যবসা সম্প্রসারণের নির্দেশ দেন।”

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তিভিত্তিক রেমিট্যান্স সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য তিনি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আলতাফ হোসেন, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার ও ড. এম কামাল উদ্দিন জসিম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টরগণ, প্রধান কার্যালয়ের উর্ধ্বতন নির্বাহী, সংশ্লিষ্ট ৯টি জোনের প্রধান এবং ৪টি কর্পোরেট শাখার প্রধানগণ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে বক্তারা আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।