মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
ব্রোকারদের জন্য অভিন্ন ব্যাক-অফিস সফটওয়্যার চান বিএসইসি চেয়ারম্যান: পাঁচ প্রতিষ্ঠানের ১৭,৩৩২ বিনিয়োগকারী পাচ্ছেন আইপিএফ তহবিলের ক্ষতিপূরণ পাইপলাইন গ্যাসের ঘাটতি ও এলপিজির তীব্র সংকট: আন্তর্জাতিক ফ্রেইট খরচ বাড়ায় বিপাকে গ্রাহক ভ্রমণ কোটার বাইরে আন্তর্জাতিক কার্ডে বিদেশি বিমান সংস্থার টিকিট কেনার সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়ার্ল্ডস্কিলস সাংহাই ২০২৬-এ বাংলাদেশের সাফল্য, ‘বেস্ট অব নেশন’ পুরস্কার পেলেন মাশফি কক্সবাজারে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের পাঁচ তারকা পরিবেশবান্ধব রিসোর্ট তৈরিতে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক সই মিরপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভাঙচুর ও দখলবাজি সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের জন্য অশনিসংকেত: টিআইবি আরএলএনজি থেকে রেকর্ড সরবরাহেও কাটেনি গ্যাস সংকট, দৈনিক ঘাটতি ১৪০০ এমএমসিএফডি বাংলা কিউআর লেনদেনে প্রণোদনার পরিধি বাড়াল, যুক্ত হলো ট্রেড লাইসেন্সধারী সব মার্চেন্ট রিহ্যাব নেতাদের ঋণখেলাপ ও কর পরিশোধের তথ্য চেয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

কক্সবাজারে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের পাঁচ তারকা পরিবেশবান্ধব রিসোর্ট তৈরিতে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক সই

ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর (বিডিইকোনমি): বাংলাদেশের পর্যটন খাতে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্ভাব্য বৈদেশিক বিনিয়োগে কক্সবাজার-টেকনাফ উপকূলীয় অঞ্চলে একটি আধুনিক ও পাঁচ তারকা পরিবেশবান্ধব (ইকো-ফ্রেন্ডলি) রিসোর্ট গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের একটি হোটেলে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মালয়েশিয়ার প্রখ্যাত হোটেল ও রিসোর্ট উদ্যোক্তা তান শ্রী সৈয়দ ইউসুফ জোজো, মালদ্বীপের সাবেক ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও পর্যটনমন্ত্রী আহমেদ আদিব এবং বাংলাদেশের ভার্সেটাইলো গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. কামরুল আহসান।

প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, বৃহদাকার ও টেকসই এই বিলাসবহুল রিসোর্টটি নির্মাণের লক্ষ্যে বাংলাদেশে একটি যৌথ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান গঠন করা হবে।

প্রকল্পের উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার অংশীদার হিসেবে বেশ কয়েকটি বিশ্বখ্যাত হোটেল ব্র্যান্ডের সঙ্গে আলোচনা করছেন, যার মধ্যে রয়েছে মোভেনপিক (Mövenpick), নভোটেল (Novotel) এবং গ্র্যান্ড হায়াত (Grand Hyatt)। বাণিজ্যিক আলোচনা ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ব্র্যান্ড পার্টনার ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান চূড়ান্ত করা হবে।

প্রস্তাবিত এই রিসোর্ট কমপ্লেক্সে থাকবে বিলাসবহুল হোটেল ও ভিলা, আন্তর্জাতিক মানের রেস্তোরাঁ, স্বাস্থ্য ও ওয়েলনেস সুবিধা, বিনোদন কেন্দ্র এবং প্রকৃতিভিত্তিক পর্যটন অবকাঠামো।

বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরে তান শ্রী সৈয়দ ইউসুফ জোজো—যিনি ফোর সিজনস কুয়ালালামপুর, কনকর্ড হোটেল এবং হার্ড রক হোটেল পেনাংসহ একাধিক বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন—বলেন, “বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের নতুন এই অধ্যায়ে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত সম্মানিত। কক্সবাজারের এই প্রকল্প অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং বিনিয়োগ-বান্ধব।”

মালদ্বীপের সাবেক পর্যটনমন্ত্রী আহমেদ আদিব বলেন, “উপকূলীয় পর্যটন উন্নয়নে মালদ্বীপের অভিজ্ঞতাকে বাংলাদেশের সমুদ্র সৈকত অঞ্চলে কাজে লাগানোর এটি একটি চমৎকার সুযোগ।”

ভার্সেটাইলো গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. কামরুল আহসান জোর দিয়ে বলেন, বিশ্বমানের বিনিয়োগ ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশে নিয়ে আসার মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করা। বিশ্বজুড়ে কক্সবাজারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকতে এটি কেবল একটি হোটেল নির্মাণ নয়, বরং একটি বিশ্বমানের ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।