সোমবার ২০ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
এলডিসি–পরবর্তী প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পোশাকশিল্পে এআই ও প্রযুক্তি ব্যবহারের তাগিদ নিরাপদ ও ভোগান্তিহীন লেনদেন নিশ্চিতে বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক: গভর্নর ভুয়া ওয়েবসাইট ও সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে ঋণ জালিয়াতি, এডিবি’র সতর্কবার্তা<gwmw style="display:none;"></gwmw> ঢাকায় সাফা আঞ্চলিক কুইজ, পাবলিক স্পিকিং ও প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ২০২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৫ শতাংশ হতে পারে: আইএমএফ<gwmw style="display:none;"></gwmw> আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকা ইপিজেডে শ্রমিক কল্যাণ ও শ্রম ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করলেন আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর জুলাই আন্দোলনের লক্ষ্য বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আদালতের আদেশে বিএফআইইউর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট বেড়েছে ৭৪%

অর্থবছরে রেমিট্যান্সে ১৮ শতাংশের বড় প্রবৃদ্ধি, জুনের শুরুতে সামান্য হ্রাস

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা :

চলতি ২০১৫-২৬ অর্থবছরে দেশের প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) ধারায় বড় ধরনের উল্লম্ফন বজায় রয়েছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের শুরু থেকে গত ৩ জুন পর্যন্ত দেশে মোট ৩ হাজার ৩২৪ কোটি (৩৩.২৪ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। যা বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮.২৫ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের এই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৮১১ কোটি (২৮.১১ বিলিয়ন) ডলার।

তবে অর্থবছরের সার্বিক চিত্র ইতিবাচক হলেও চলতি জুন মাসের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহে কিছুটা মন্থর গতি দেখা গেছে। এই তিন দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ৪৮ কোটি ৩০ লাখ (৪৮৩.০৫ মিলিয়ন) ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ কম।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রেমিট্যান্সের এই হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৩ জুন একক দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১১ কোটি ৬৩ লাখ (১১৬.৩১ মিলিয়ন) ডলার। তবে ১ থেকে ৩ জুনের এই সংগ্রহ গত বছরের (২০২৫ সালের ১-৩ জুন) একই মেয়াদের তুলনায় ১৯.৯৬ শতাংশ কম। বিগত ২০২৫ সালের জুনের প্রথম তিন দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৬০ কোটি ৩৫ লাখ (৬০৩.৫১ মিলিয়ন) ডলার।

সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মাসের শুরুতে তিন দিনের এই পতন সাময়িক। সাধারণত কোরবানির ঈদ (ঈদুল আজহা) বা উৎসবের আগে ও পরে রেমিট্যান্স প্রবাহে এ ধরনের ওঠানামা দেখা যায়। তবে পুরো অর্থবছরে প্রায় সাড়ে ১৮ শতাংশের ওপর প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক সংকেত।

বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের আকর্ষণীয় রেট এবং প্রবাসী বান্ধব নীতিমালার কারণে অর্থবছরের বাকি দিনগুলোতেও রেমিট্যান্সের এই শক্তিশালী অবস্থান বজায় থাকবে।