রবিবার ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত শুরু সোমবার থেকে বার্ষিক ভ্রমণ কোটা বাড়িয়ে ১৮ হাজার ডলার করল বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য বাণিজ্য ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ইউকেইএফ-এর গোলটেবিল বৈঠক রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কূটনৈতিক তৎপরতা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাই রোহিঙ্গা সংকটের মূল সমাধান: আইজিসির গোলটেবিল বৈঠক ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন হচ্ছে, শোধন ক্ষমতা বেড়ে হবে ৪৫ লাখ টন পোশাক শ্রমিকদের সর্বজনীন পেনশনে অন্তর্ভুক্ত করতে বিশেষ প্রণোদনা ও বয়সসীমা ৫৫ করার দাবি বিজিএমইএর নতুন আমদানি নীতিতে নিট ফেব্রিকস আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর বিগত সরকারের ভুল নীতি ও আমদানিনির্ভরতাই বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ: তিতুমীর ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ আবার ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ালো

রিজার্ভ বাড়াতে ব্যাংক থেকে আরও ৬০ মিলিয়ন ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা – দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে আরও ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (২০ এপ্রিল) নিলামের মাধ্যমে এই ডলার কেনা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এদিন প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে এই বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা কেনা হয়েছে। নতুন এই ডলার যুক্ত হওয়ার পর বর্তমানে দেশের গ্রস বা মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলারে।

ধারাবাহিক ডলার ক্রয়

মূলত বাজার থেকে ডলার সংগ্রহের এই ধারা গত সপ্তাহ থেকেই শুরু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত সপ্তাহেও দুই দিনে একই দরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে মোট ১২০ মিলিয়ন ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপের দুটি প্রধান উদ্দেশ্য রয়েছে:

১. রিজার্ভ শক্তিশালী করা: দেশের বৈদেশিক মুদ্রার আপদকালীন মজুদ বা বাফার বৃদ্ধি করা।

২. তারল্য প্রবাহ বাড়ানো: বাজার থেকে ডলার কেনার বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে স্থানীয় মুদ্রা (টাকা) সরবরাহ করা, যাতে ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকট দূর হয়।

বাজার স্থিতিশীলতার কৌশল

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে বাজার থেকে গ্রিনব্যাক (ডলার) সংগ্রহ করছে। এর ফলে একদিকে যেমন বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকছে, অন্যদিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত স্থানীয় মুদ্রা পাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, সোমবারের এই লেনদেনের পর রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে ৩০.৩৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি ইতিবাচক সংকেত।