শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ডে খরচ ইনবাউন্ড লেনদেনের চেয়ে প্রায় চারগুণ বেশি: বাংলাদেশ ব্যাংক বৈশ্বিক ও জ্বালানি সংকটের মুখেও উৎপাদনশীলতা ধরে রাখতে লড়াই করে যাচ্ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত স্পেনের বার্সেলোনা টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬-এ বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন, এটি অনন্য নজির: প্রতিমন্ত্রী অমিত<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ মাসে জ্বালানিতে অতিরিক্ত খরচ ৪১২ কোটি ডলার: উপদেষ্টা তিতুমীর সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করল সরকার নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার

নতুন আমদানি নীতিতে নিট ফেব্রিকস আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর

ঢাকা, ০৫ সেপ্টেম্বর (বিডিইকোনমি) — দেশের সদ্য ঘোষিত নতুন আমদানি নীতিতে নিট ফেব্রিকস বা বুনন করা কাপড় আমদানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বাতিল অথবা স্থগিতের দাবি জানিয়েছে পোশাক খাতের শীর্ষ দুটি বাণিজ্য সংগঠন বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরিত পৃথক চিঠিতে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) জানিয়েছে, ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯’-এর ২৫ নম্বর ধারার ১২ নম্বর উপ-ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে “নিট ফেব্রিকস আমদানিযোগ্য হইবে না”।

সংগঠন দুটি এই নীতি স্থগিত বা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়ে সতর্ক করেছে যে, এমন সিদ্ধান্ত রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগী সক্ষমতা কমিয়ে দেবে।

গত ১ সেপ্টেম্বর বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে প্রেরিত চিঠিতে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের চাহিদা প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। এই পরিবর্তিত চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ, মান নিয়ন্ত্রণ, নির্দিষ্ট ডিজাইন নিশ্চিতকরণ এবং দ্রুততম সময়ে পণ্য সরবরাহের জন্য অনেক সময় বিদেশি সরবরাহকারীদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট ধরনের ফেব্রিকস বা কাপড় আমদানি করতে হয়।

তিনি জানান, অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ গ্রেড, রঙ, টেক্সচার ও ডিজাইনের নিট কাপড়ের চাহিদা থাকে যা স্থানীয় বাজারে সবসময় পাওয়া যায় না। এ পরিস্থিতিতে আমদানি রুদ্ধ করা হলে কারখানার নিয়মিত উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

অন্যদিকে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম নীতিটি দ্রুত স্থগিত বা বাতিলের দাবি জানিয়ে বলেন, নতুন এই বিধিনিষেধের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে ইতিমধ্যে এসে পৌঁছানো বিভিন্ন ধরনের নিট কাপড়ের চালান খালাসে জটিলতা তৈরি হয়েছে। তাছাড়া অনেক রপ্তানিকারক ইতিমধ্যে আমদানির প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন।

বিকেএমইএ প্রধান সতর্ক করেন যে, পণ্য খালাসে বিলম্বের কারণে নির্ধারিত সময়ে রপ্তানি আদেশ বাস্তবায়ন অসম্ভব হয়ে পড়ছে। তিনি আরও যোগ করেন, গ্যাস সংকটের কারণে কারখানায় উৎপাদন যেখানে এমনিতেই ব্যাহত হচ্ছে, সেখানে নিট ফেব্রিকস আমদানিতে এই নিষেধাজ্ঞা পোশাক খাতের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে।