বৃহস্পতিবার ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিগত সরকারের ভুল নীতি ও আমদানিনির্ভরতাই বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ: তিতুমীর ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ আবার ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ালো ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনর্গঠনে নীতি সহায়তার আবেদনের সময় বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তি গ্রাহকদের আসল আমানত ফেরত দিচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা ২৬ হাজার কোটি টাকা, ৬ মূল বেতনের সমান বোনাস পাচ্ছেন কর্মকর্তারা উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র: ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিলের সুদহার কমিয়ে ৭% করল বাংলাদেশ ব্যাংক মেঘনা ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড অনুমোদন করল বিএসইসি

কৃষিখাতকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই কৃষক কার্ডের লক্ষ্য : মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, পহেলা বৈশাখ টাঙ্গাইলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্ব ঘোষিত ঐতিহাসিক ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ মুখপাত্র বলেন, কৃষক সমাজের সরাসরি ক্ষমতায়ন ও কৃষিখাতকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই এ কৃষক কার্ডের লক্ষ্য। এ কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। 

আজ সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে কৃষি ও কৃষিজাত শিল্পায়নে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা জানান।  

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগ কেবল একটি কার্ড বিতরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করার শক্তিশালী মাধ্যম। সারা দেশের ১০ জেলার ১১টি উপজেলায় ২০ হাজারের অধিক কৃষক কার্ড দেয়া হবে।

তিনি জানান, প্রতিটি কৃষি কার্ডের বিপরীতে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন কৃষকরা। এছাড়া সুলভ মূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ, কৃষি বীমা, কৃষি ভর্তুকিসহ কৃষকরা নানা সুবিধা পাবেন।

মাহদী আমিন বলেন, আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুবিধা এবং কৃষকদের নিয়মিত উন্নত প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। সরকারি ভর্তুকি কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়া এবং উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য বাজারমূল্য নিশ্চিত করাও এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, এই কর্মসূচি মূলত বিএনপি ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবের একটি ধারাবাহিক বাস্তবায়ন, যার মাধ্যমে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে দেশের সকল স্তরের মানুষকে ক্ষমতায়ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।