বুধবার ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ:
রেমিট্যান্স সেবায় ইসলামী ব্যাংককে ‘গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন খনার বচনে স্বাস্থ্য ও কৃষি ভাবনা: ভিন্ন আঙ্গিকে বেক্সিমকো ফার্মার বৈশাখ উদযাপন বেপজার ৪৬ বছরে পদার্পণ: ১২৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি ও সাড়ে ৫ লাখ কর্মসংস্থানের গৌরবময় যাত্রা শিল্পখাতে খেলাপি ঋণ ৩১ শতাংশ: ‘ক্রাউডিং আউট’ প্রভাবে বেসরকারি ঋণ সংকুচিত এপ্রিলেই রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর আভাস: ১৪ দিনে এল ১.৬ বিলিয়ন নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ স্লোগানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে টেলিনর সিইও-র সাক্ষাৎ জ্বালানি সাশ্রয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত: ৩ মাস সরকারি তেল নেবেন না মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম নারীদের ডিজিটাল ও আর্থিক ক্ষমতায়নে রমণীর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব

কৃষিখাতকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই কৃষক কার্ডের লক্ষ্য : মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, পহেলা বৈশাখ টাঙ্গাইলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্ব ঘোষিত ঐতিহাসিক ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ মুখপাত্র বলেন, কৃষক সমাজের সরাসরি ক্ষমতায়ন ও কৃষিখাতকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই এ কৃষক কার্ডের লক্ষ্য। এ কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। 

আজ সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে কৃষি ও কৃষিজাত শিল্পায়নে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা জানান।  

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগ কেবল একটি কার্ড বিতরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করার শক্তিশালী মাধ্যম। সারা দেশের ১০ জেলার ১১টি উপজেলায় ২০ হাজারের অধিক কৃষক কার্ড দেয়া হবে।

তিনি জানান, প্রতিটি কৃষি কার্ডের বিপরীতে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন কৃষকরা। এছাড়া সুলভ মূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ, কৃষি বীমা, কৃষি ভর্তুকিসহ কৃষকরা নানা সুবিধা পাবেন।

মাহদী আমিন বলেন, আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুবিধা এবং কৃষকদের নিয়মিত উন্নত প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। সরকারি ভর্তুকি কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়া এবং উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য বাজারমূল্য নিশ্চিত করাও এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, এই কর্মসূচি মূলত বিএনপি ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবের একটি ধারাবাহিক বাস্তবায়ন, যার মাধ্যমে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে দেশের সকল স্তরের মানুষকে ক্ষমতায়ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।