বৃহস্পতিবার ৪ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
আইএমএফের কাছে নতুন করে আর্থিক সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ মে মাসে রপ্তানি আয় কমেছে ৭.০৯ শতাংশ, ১১ মাসের সম্মিলিত আয় নেমেছে ৪৩.৭৯ বিলিয়ন ডলারে<gwmw style="display:none;"></gwmw> নতুন চেয়ারম্যানকে ঘিরে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ ৩য় দিনে, প্রধান কার্যালয় ঘেরাওয়ের হুমকি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ: ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকিতে প্রতি তিন টাকার এক টাকা<gwmw style="display:none;"></gwmw> ভঙ্গুর অর্থনীতি ও নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেই জনকল্যাণমুখী বাজেট তৈরির চেষ্টা: আমীর খসরু<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> স্মার্ট কার্ডধারী ও অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কৃষিঋণে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, বিডি ইকোনমি এস আলমের সম্পদ বিক্রি করে ইসলামী ব্যাংকের লুণ্ঠিত টাকা উদ্ধারের দাবি গ্রাহকদের ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে নজিরবিহীন সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত শতাধিক মে মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৫.৩৪ শতাংশের বিশাল প্রবৃদ্ধি; চলতি অর্থবছরে এসেছে ৩২.৭৫ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে শিগগিরই ইপিএ চুক্তি সই হবে: জাপানি রাষ্ট্রদূত

ঢাকা: বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত সই হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) কার্যালয়ে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, “সম্প্রতি টোকিওতে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ইপিএ বিষয়ক সপ্তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংলাপ শেষে শিগগিরই চুক্তিটি সই হবে, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন গতি আনবে।”

বৈঠকে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে জাপানের অনস্বীকার্য অবদানের কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরো (ইপিবি) এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৩.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে আমদানি ছিল ১.৮১ বিলিয়ন এবং রপ্তানি ১.৩১ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে জাপান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের জন্য ১২তম বৃহত্তম বাজার।

তাসকীন আহমেদ আরও জানান, নির্মাণ, টেক্সটাইল, সার, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের বিনিয়োগ ইতোমধ্যে ৫০৭ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে, জাপানের মোট বৈদেশিক বিনিয়োগ ১৮৪ বিলিয়ন ডলার হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য আরও বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি অটোমোবাইল, মেশিনারি, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, তথ্যপ্রযুক্তি, অবকাঠামো, লজিস্টিকস ও মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতে জাপানের প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি, এসএমই খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে সহযোগিতা কামনা করেন।

জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বলেন, বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে শিল্প খাতের বহুমুখীকরণ, সরকারি সেবায় দক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজার ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে, যা জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় হবে।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের দক্ষ মানবসম্পদের জন্য জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।

বৈঠকে ডিসিসিআই এর ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান এবং জাপান দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।