বুধবার ৪ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
ঋণখেলাপির সংস্কৃতি থেকে ব্যাংক লুটপাট: আর্থিক খাতের দুর্দশার জন্য দায়ী করলেন ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ পাবনায় কৃষি ও এসএমই উদ্যোক্তাদের ২.৭০ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করল ব্যাংকসমূহ অভিবাসী শ্রমিকের সুরক্ষা ও শক্তিশালী ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের আহ্বান বিএলএস-এফইএস যুব সম্মেলনে সংশোধিত সাইবার আইনে নাগরিকদের কণ্ঠরোধ না করার আহ্বান—ভয়েস ফর রিফর্মের সংলাপ ব্যাংকিং খাত স্থিতিশীলকরণে সিস্টেমিক ঝুঁকি ও আমানতকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে বিআইবিএম-এর কর্মশালা জুলাই-অক্টোবর সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১১.০৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম; রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৪১ বিলিয়ন ডলার অস্ট্রেলিয়ার নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ, বিএসআরইএর সংবাদ সম্মেলন ২০২৬ সালে মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতের চেয়ে এগিয়ে থাকতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ মৎস্য খাতের শ্রমিকদের আইনি সুরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার দাবি: বিলস-এফইএস সংলাপ

শ্রমিক অসন্তোষ অব্যাহত, আশুলিয়ায় ৪০৭টির মধ্যে ৭০টি পোশাক কারখানা বন্ধ

শ্রমিক অসন্তোষ অব্যাহত, আশুলিয়ায় ৪০৭টির মধ্যে ৭০টি পোশাক কারখানা বন্ধ

ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর: ঢাকার অদূরে আশুলিয়া ও বাইপাইল এলাকায় শ্রমিক অসন্তোষের কারণে সোমবার আবারও ব্যাহত হয়েছে ৪০৭টির মধ্যে ৬৮টি কারখানার উৎপাদন।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে আশুলিয়ায় অন্তত ৭০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। বাকি কারখানাগুলোতে উৎপাদন চলছে,” বলেন খন্দকার রফিকুল ইসলাম।

শ্রমিকের বৈধ চাহিদা পূরণ করা হবে এবং পরিস্থিতির উন্নতির জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, কারখানার মালিক এবং বিজিএমইএ প্রতিনিধিরা একসঙ্গে কাজ করছে, তিনি বলেন।

বিজিএমইএ সভাপতি যোগ করেন, “আগামীকাল (মঙ্গলবার) সব কারখানা খোলা থাকবে প্রতিবাদের মধ্যে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাদের সতর্কতা বাড়িয়েছে।”

 শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কাজ না করেই কারখানা থেকে বেরিয়ে যান। শ্রমিক বিক্ষোভের মুখে আজ অন্তত ৭০টি কারখানা বন্ধ রয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও নাশকতা ঠেকাতে র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে, ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ডিইপিজেড) পুরাতন জোনের প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ করেন লেনি ফ্যাশন নামের একটি পোশাক কারখানার সাবেক শ্রমিকরা। বকেয়া পাওনা দাবিতে বিক্ষোভ করেছে তারা।

শ্রমিকদের অভিযোগ, চার বছর আগে কারখানাটি বন্ধ হয়ে গেলেও তাদের বকেয়া এখনো পরিশোধ করা হয়নি। বকেয়া পরিশোধের ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।

বিজিএমইএর পরিচালক শোভন ইসলাম বিডি ইকোনমিকে বলেন, আশুলিয়া ও বাইপাইল এলাকায় জুলাই ও আগস্ট মাসে কোনো অশান্তি হয়নি। কিন্তু শ্রমিকরা এখন বিভিন্ন কারখানার সামনে জড়ো হয়ে কারখানায় নাশকতার চেষ্টা করছে।

ফলে আশুলিয়া ও বাইপাইল এলাকায় ৪০৭টি কারখানার মধ্যে প্রায় ৭০টি কারখানার মালিককে উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। বিজিএমইএ আগামীকাল (মঙ্গলবার) সমস্ত কারখানা খোলার জন্য শ্রমিক, শ্রমিক নেতা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে কথা বলেছে, তিনি উল্লেখ করেন।

সোমবার গাজীপুরের অন্যান্য এলাকায় কারখানা খোলা হয়েছে এবং পুরোদমে উৎপাদন চলছে বলে জানান তিনি।