শনিবার ৬ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
বন্ধ কারখানা সচল করতে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের, সুদ মাত্র ৭ শতাংশ অর্থবছরে রেমিট্যান্সে ১৮ শতাংশের বড় প্রবৃদ্ধি, জুনের শুরুতে সামান্য হ্রাস আইএমএফের কাছে নতুন করে আর্থিক সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ মে মাসে রপ্তানি আয় কমেছে ৭.০৯ শতাংশ, ১১ মাসের সম্মিলিত আয় নেমেছে ৪৩.৭৯ বিলিয়ন ডলারে<gwmw style="display:none;"></gwmw> নতুন চেয়ারম্যানকে ঘিরে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ ৩য় দিনে, প্রধান কার্যালয় ঘেরাওয়ের হুমকি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ: ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকিতে প্রতি তিন টাকার এক টাকা<gwmw style="display:none;"></gwmw> ভঙ্গুর অর্থনীতি ও নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেই জনকল্যাণমুখী বাজেট তৈরির চেষ্টা: আমীর খসরু<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> স্মার্ট কার্ডধারী ও অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কৃষিঋণে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, বিডি ইকোনমি এস আলমের সম্পদ বিক্রি করে ইসলামী ব্যাংকের লুণ্ঠিত টাকা উদ্ধারের দাবি গ্রাহকদের

রিজার্ভ বাড়াতে ব্যাংক থেকে আরও ৬০ মিলিয়ন ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা – দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে আরও ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (২০ এপ্রিল) নিলামের মাধ্যমে এই ডলার কেনা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এদিন প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে এই বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা কেনা হয়েছে। নতুন এই ডলার যুক্ত হওয়ার পর বর্তমানে দেশের গ্রস বা মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলারে।

ধারাবাহিক ডলার ক্রয়

মূলত বাজার থেকে ডলার সংগ্রহের এই ধারা গত সপ্তাহ থেকেই শুরু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত সপ্তাহেও দুই দিনে একই দরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে মোট ১২০ মিলিয়ন ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপের দুটি প্রধান উদ্দেশ্য রয়েছে:

১. রিজার্ভ শক্তিশালী করা: দেশের বৈদেশিক মুদ্রার আপদকালীন মজুদ বা বাফার বৃদ্ধি করা।

২. তারল্য প্রবাহ বাড়ানো: বাজার থেকে ডলার কেনার বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে স্থানীয় মুদ্রা (টাকা) সরবরাহ করা, যাতে ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকট দূর হয়।

বাজার স্থিতিশীলতার কৌশল

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে বাজার থেকে গ্রিনব্যাক (ডলার) সংগ্রহ করছে। এর ফলে একদিকে যেমন বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকছে, অন্যদিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত স্থানীয় মুদ্রা পাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, সোমবারের এই লেনদেনের পর রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে ৩০.৩৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি ইতিবাচক সংকেত।