বৃহস্পতিবার ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিগত সরকারের ভুল নীতি ও আমদানিনির্ভরতাই বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ: তিতুমীর ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ আবার ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ালো ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনর্গঠনে নীতি সহায়তার আবেদনের সময় বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তি গ্রাহকদের আসল আমানত ফেরত দিচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা ২৬ হাজার কোটি টাকা, ৬ মূল বেতনের সমান বোনাস পাচ্ছেন কর্মকর্তারা উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র: ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিলের সুদহার কমিয়ে ৭% করল বাংলাদেশ ব্যাংক মেঘনা ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড অনুমোদন করল বিএসইসি

অর্থবছরে রেমিট্যান্সে ১৮ শতাংশের বড় প্রবৃদ্ধি, জুনের শুরুতে সামান্য হ্রাস

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা :

চলতি ২০১৫-২৬ অর্থবছরে দেশের প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) ধারায় বড় ধরনের উল্লম্ফন বজায় রয়েছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের শুরু থেকে গত ৩ জুন পর্যন্ত দেশে মোট ৩ হাজার ৩২৪ কোটি (৩৩.২৪ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। যা বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮.২৫ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের এই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৮১১ কোটি (২৮.১১ বিলিয়ন) ডলার।

তবে অর্থবছরের সার্বিক চিত্র ইতিবাচক হলেও চলতি জুন মাসের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহে কিছুটা মন্থর গতি দেখা গেছে। এই তিন দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ৪৮ কোটি ৩০ লাখ (৪৮৩.০৫ মিলিয়ন) ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ কম।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রেমিট্যান্সের এই হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৩ জুন একক দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১১ কোটি ৬৩ লাখ (১১৬.৩১ মিলিয়ন) ডলার। তবে ১ থেকে ৩ জুনের এই সংগ্রহ গত বছরের (২০২৫ সালের ১-৩ জুন) একই মেয়াদের তুলনায় ১৯.৯৬ শতাংশ কম। বিগত ২০২৫ সালের জুনের প্রথম তিন দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৬০ কোটি ৩৫ লাখ (৬০৩.৫১ মিলিয়ন) ডলার।

সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মাসের শুরুতে তিন দিনের এই পতন সাময়িক। সাধারণত কোরবানির ঈদ (ঈদুল আজহা) বা উৎসবের আগে ও পরে রেমিট্যান্স প্রবাহে এ ধরনের ওঠানামা দেখা যায়। তবে পুরো অর্থবছরে প্রায় সাড়ে ১৮ শতাংশের ওপর প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক সংকেত।

বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের আকর্ষণীয় রেট এবং প্রবাসী বান্ধব নীতিমালার কারণে অর্থবছরের বাকি দিনগুলোতেও রেমিট্যান্সের এই শক্তিশালী অবস্থান বজায় থাকবে।

আরও পড়ুন