মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ মাসে জ্বালানিতে অতিরিক্ত খরচ ৪১২ কোটি ডলার: উপদেষ্টা তিতুমীর সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করল সরকার নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ: ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিতরণ ছাড়িয়েছে ১৪,৫১৯ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ ব্যবসার লাইসেন্সে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত সার্কুলার জারি গবেষণা, প্রযুক্তি ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান: এইউএসটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন শুরু ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলা ও আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ, মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে শিগগিরই ইপিএ চুক্তি সই হবে: জাপানি রাষ্ট্রদূত

ঢাকা: বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত সই হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) কার্যালয়ে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, “সম্প্রতি টোকিওতে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ইপিএ বিষয়ক সপ্তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংলাপ শেষে শিগগিরই চুক্তিটি সই হবে, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন গতি আনবে।”

বৈঠকে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে জাপানের অনস্বীকার্য অবদানের কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরো (ইপিবি) এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৩.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে আমদানি ছিল ১.৮১ বিলিয়ন এবং রপ্তানি ১.৩১ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে জাপান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের জন্য ১২তম বৃহত্তম বাজার।

তাসকীন আহমেদ আরও জানান, নির্মাণ, টেক্সটাইল, সার, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের বিনিয়োগ ইতোমধ্যে ৫০৭ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে, জাপানের মোট বৈদেশিক বিনিয়োগ ১৮৪ বিলিয়ন ডলার হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য আরও বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি অটোমোবাইল, মেশিনারি, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, তথ্যপ্রযুক্তি, অবকাঠামো, লজিস্টিকস ও মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতে জাপানের প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি, এসএমই খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে সহযোগিতা কামনা করেন।

জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বলেন, বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে শিল্প খাতের বহুমুখীকরণ, সরকারি সেবায় দক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজার ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে, যা জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় হবে।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের দক্ষ মানবসম্পদের জন্য জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।

বৈঠকে ডিসিসিআই এর ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান এবং জাপান দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।