সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ‘ন্যানো ঋণ’ চালুর উদ্যোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষায় ২৫ ল্যাপটপ দিল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বিদেশে বাংলাদেশি খেলাপিদের সম্পদ অনুসন্ধানে ৮ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ব্যাংক টাকায় বিদেশি ভ্রমণ প্যাকেজ বিক্রির সুযোগ পেলেন ট্যুর অপারেটররা: বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে প্রথমবারের মতো ‘চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ’ অকুপেশনের টাস্ক অ্যানালাইসিস ও অকুপেশনাল ম্যাপিং করেছে এনএসডিএ পাবলিক সেক্টরে অটোমেশন সেবা নিশ্চিতে ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাতকে যুক্ত করতে খসড়া নীতিমালা এনআরবিসি ব্যাংকের অর্ধবার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত অর্থবছর ২৬-এ কৃষি ঋণ বিতরণ ৪২,৮৩৪ কোটি টাকা ছাড়াল: লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯.৮৩ শতাংশ বেশি

১৩ দিনেই এলো ১৫৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স, রিজার্ভ ছাড়াল ৩৩ বিলিয়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :নতুন বছরের শুরুতেই প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) বড় ধরনের উল্লম্ফন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম ১৩ দিনেই দেশে ১৫৯ কোটি ১০ লাখ (১.৫৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

রেমিট্যান্সে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, গত বছরের জানুয়ারির একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল মাত্র ৯২ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় এ বছরের প্রথম ১৩ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় ৭১.৮ শতাংশ1

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। ১ জুলাই থেকে ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট প্রবাসী আয় এসেছে ১৭.৮৫ বিলিয়ন ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের (১৪.৭ বিলিয়ন ডলার) তুলনায় ২১.৫ শতাংশ বেশি।

শক্তিশালী অবস্থানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

প্রবাসী আয়ের এই জোরালো প্রবাহের ওপর ভর করে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস (মোট) রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ (BPM6) অনুযায়ী, বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ ২৯ বিলিয়ন ডলারের উপরে অবস্থান করছে।2

ইতিবাচক ধারার কারণ

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে আকর্ষণীয় প্রণোদনা, ফরমাল চ্যানেলে টাকা পাঠাতে উৎসাহ দান এবং মানি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সক্রিয় ভূমিকার কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহে এই গতির সঞ্চার হয়েছে। অর্থবছরের গত ছয় মাসে রেমিট্যান্সের মাসভিত্তিক চিত্র ছিল নিম্নরূপ:

মাসরেমিট্যান্স (বিলিয়ন ডলার)
জুলাই২.৪৭
আগস্ট২.৪২
সেপ্টেম্বর২.৬৮
অক্টোবর২.৫৬
নভেম্বর২.৮৮
ডিসেম্বর৩.২২

নীতিনির্ধারণী প্রভাব

অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, রেমিট্যান্সের এই শক্তিশালী অবস্থান সরকারকে আইএমএফ-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কঠিন শর্তযুক্ত ঋণ গ্রহণের চাপ থেকে কিছুটা স্বস্তি দেবে। বৈদেশিক মুদ্রার মজুত শক্তিশালী হওয়ায় দেশের আমদানি দায় মেটানো এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।