রবিবার ২৩ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
বাংলা কিউআরে লেনদেন ১১০ কোটি টাকা ছাড়াল চট্টগ্রামে রবির ‘এলিট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’, যুক্ত হলো ২১ নতুন অংশীদার ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন: ৫০ হাজার কর্মসংস্থান ও জিডিপিতে অবদান বৃদ্ধির লক্ষ্য ২২ দিনে প্রবাসী আয় ২১৫ কোটি ডলার ছাড়াল ইনভেস্ট বাংলাদেশ-এর কার্যক্রম শুরু শিল্পখাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের আহ্বান ঢাকা চেম্বারের প্রবাসী আয়ের একটি অংশ এসএমই খাতে বিনিয়োগ করলে কর্মসংস্থান ও স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে: আইওএম প্রধান<gwmw style="display:none;"></gwmw> গ্রাম থেকে শহর—প্রতিটি মানুষের কাছে উন্নত ইন্টারনেট ও টেলিকম সেবা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর এসএস পাওয়ারকে ৩২ লাখ ডলারের বৈদেশিক ঋণ ছাড়ের অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

ইনভেস্ট বাংলাদেশ-এর কার্যক্রম শুরু

ঢাকা, ২৩ আগস্ট (বিডিইকোনমি) — ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর আওতায় গেজেট প্রকাশের পর আজ রবিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষকে (পিপিপিএ) একীভূত করে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অধীনে নতুন এই সংস্থাটি গঠন করা হয়েছে।

এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন ব্র্যান্ড পরিচয় উন্মোচনের মাধ্যমে একক জাতীয় বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরের যাত্রা শুরু করল ইনভেস্ট বাংলাদেশ, যার লক্ষ্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এক স্থান থেকে যাবতীয় সেবা প্রদান করা।

নতুন এই কর্তৃপক্ষ বিনিয়োগ সহায়তা, নীতি সমন্বয়, অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) সক্ষমতাকে এক ছাতার নিচে এনেছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে বিনিয়োগকারীদের সহজ ও সমন্বিত যোগাযোগকেন্দ্রের যে দাবি ছিল, তা পূরণ হলো।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, “এটি শুধু তিনটি প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণ নয়; বরং বিনিয়োগকারীকে কেন্দ্রে রেখে সরকারের কাজ আরও কার্যকরভাবে সাজানোর প্রয়াস।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের সক্ষমতাগুলো এক করে পুরো বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব ও জবাবদিহি আরও স্পষ্ট করা এবং সমন্বিত সহায়তা দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”

ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬-এর আওতায় এই সংস্থা অর্থনৈতিক অঞ্চল, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও শিল্পাঞ্চলগুলোকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা, লাইসেন্স ও অনুমোদনের সময়সীমা নির্ধারণ করা, পিপিপি প্রকল্পের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং অব্যবহৃত সরকারি সম্পদ উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের ক্ষমতা লাভ করেছে।

বিনিয়োগ সংক্রান্ত সব সেবা একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনতে সংস্থাটি ‘বাংলাবিজ’ পোর্টালের পরিচালন অব্যাহত রাখবে, যার মাধ্যমে অনলাইনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিভিন্ন অনুমতি ও লাইসেন্স পাওয়া যাবে।

বর্তমানে সংস্থাটি ১৪ দিনের মধ্যে ব্যবসায়িক লাইসেন্স প্রদান নিশ্চিত করতে কাজ করছে। মার্চ মাসে ঘোষিত সংস্কারের অঙ্গীকারগুলো কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে, সে বিষয়ে আগামী ১৮০ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে বিডা, বেজা ও পিপিপিএর নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি ও সুযোগ-সুবিধা বহাল রেখে নতুন সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। অন্যদিকে, পরামর্শক, আউটসোর্সিং ও দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মীরা তাঁদের বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাবেন।