বুধবার ৭ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
জ্বালানি সংকটে থমকে যাচ্ছে অর্থনীতির গতি, দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের ট্যাক্স হ্যাভেনের দিন শেষ, বিশ্বজুড়ে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের কৌশল বদলাচ্ছে: আইএমএফ আজকের ডিজিটালের ব্যবধান যেন আগামী দিনের এআই ডিভাইডে পরিণত না হয়: ইস্তাম্বুলে আইসিটি মন্ত্রী জাহাজশিল্পের বিশ্ববাজার ধরতে অনুমোদন সহজ করার উদ্যোগ, দ্রুত টিএসডিএফ স্থাপনের নির্দেশ ঢাকায় এলপিজির তীব্র সংকট, সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম উপেক্ষা করে দেদারসে বাড়তি আদায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে মূল ভিত্তি ‘বিশ্বাস’: তানভীর শাহরিয়ার গনি পরিকল্পিত নগরায়ণে জেলা ও সিটি করপোরেশনে নতুন মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তীব্র সংকটের মাঝেই বাড়ল এলপিজির দাম, খুচরা বাজারে অস্থিরতা জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদার: রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি

রিজার্ভ বাড়াতে ব্যাংক থেকে আরও ৬০ মিলিয়ন ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা – দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে আরও ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (২০ এপ্রিল) নিলামের মাধ্যমে এই ডলার কেনা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এদিন প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে এই বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা কেনা হয়েছে। নতুন এই ডলার যুক্ত হওয়ার পর বর্তমানে দেশের গ্রস বা মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলারে।

ধারাবাহিক ডলার ক্রয়

মূলত বাজার থেকে ডলার সংগ্রহের এই ধারা গত সপ্তাহ থেকেই শুরু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত সপ্তাহেও দুই দিনে একই দরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে মোট ১২০ মিলিয়ন ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপের দুটি প্রধান উদ্দেশ্য রয়েছে:

১. রিজার্ভ শক্তিশালী করা: দেশের বৈদেশিক মুদ্রার আপদকালীন মজুদ বা বাফার বৃদ্ধি করা।

২. তারল্য প্রবাহ বাড়ানো: বাজার থেকে ডলার কেনার বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে স্থানীয় মুদ্রা (টাকা) সরবরাহ করা, যাতে ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকট দূর হয়।

বাজার স্থিতিশীলতার কৌশল

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে বাজার থেকে গ্রিনব্যাক (ডলার) সংগ্রহ করছে। এর ফলে একদিকে যেমন বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকছে, অন্যদিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত স্থানীয় মুদ্রা পাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, সোমবারের এই লেনদেনের পর রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে ৩০.৩৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি ইতিবাচক সংকেত।