শনিবার ২৭ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
১ জুলাই থেকে ‘বাংলা কিউআর’ কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক: ক্যাশলেস অর্থনীতির লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ<gwmw style="display:none;"></gwmw> জ্বালানি খাতের বরাদ্দ বৈষম্য দূর ও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর তাগিদ সানেমের<gwmw style="display:none;"></gwmw> প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রণালয়গুলোতে ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড বসানো হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ব্যাংকগুলোকে জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি এসএমই খাত: শিল্পমন্ত্রী ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক আইএমএফের নতুন ঋণের শর্ত: ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় উদ্যোগ: প্রবাসীদের জন্য ‘কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট’ চালু, ওএমইউ ও অফশোর ব্যাংকিংয়ে গতি আনার লক্ষ্য পাঁচটি দেউলিয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

রিজার্ভ বাড়াতে ব্যাংক থেকে আরও ৬০ মিলিয়ন ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা – দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে আরও ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (২০ এপ্রিল) নিলামের মাধ্যমে এই ডলার কেনা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এদিন প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে এই বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা কেনা হয়েছে। নতুন এই ডলার যুক্ত হওয়ার পর বর্তমানে দেশের গ্রস বা মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলারে।

ধারাবাহিক ডলার ক্রয়

মূলত বাজার থেকে ডলার সংগ্রহের এই ধারা গত সপ্তাহ থেকেই শুরু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত সপ্তাহেও দুই দিনে একই দরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে মোট ১২০ মিলিয়ন ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপের দুটি প্রধান উদ্দেশ্য রয়েছে:

১. রিজার্ভ শক্তিশালী করা: দেশের বৈদেশিক মুদ্রার আপদকালীন মজুদ বা বাফার বৃদ্ধি করা।

২. তারল্য প্রবাহ বাড়ানো: বাজার থেকে ডলার কেনার বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে স্থানীয় মুদ্রা (টাকা) সরবরাহ করা, যাতে ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকট দূর হয়।

বাজার স্থিতিশীলতার কৌশল

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে বাজার থেকে গ্রিনব্যাক (ডলার) সংগ্রহ করছে। এর ফলে একদিকে যেমন বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকছে, অন্যদিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত স্থানীয় মুদ্রা পাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, সোমবারের এই লেনদেনের পর রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে ৩০.৩৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি ইতিবাচক সংকেত।