মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
বাংলাদেশ-চীন সুসম্পর্ক সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন তরুণ লেখকরা: লি শাওপেং ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গঠন ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবিতে গ্রাহকদের বিক্ষোভ বাংলা কিউআরে লেনদেন ১১০ কোটি টাকা ছাড়াল চট্টগ্রামে রবির ‘এলিট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’, যুক্ত হলো ২১ নতুন অংশীদার ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন: ৫০ হাজার কর্মসংস্থান ও জিডিপিতে অবদান বৃদ্ধির লক্ষ্য ২২ দিনে প্রবাসী আয় ২১৫ কোটি ডলার ছাড়াল ইনভেস্ট বাংলাদেশ-এর কার্যক্রম শুরু শিল্পখাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের আহ্বান ঢাকা চেম্বারের প্রবাসী আয়ের একটি অংশ এসএমই খাতে বিনিয়োগ করলে কর্মসংস্থান ও স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে: আইওএম প্রধান<gwmw style="display:none;"></gwmw>

যাত্রীর মালামাল হারানোর অভিযোগে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ

ঢাকা, ১৯ আগস্ট : গত ১৪ আগস্ট ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের আগমনী ফ্লাইট (BS-350) এর যাত্রী মোঃ সোহাগ সকাল ৫:২০ ঘটিকায় আবুধাবি থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগমন করেন।

আনুমানিক ০৯:১৫ ঘটিকার সময় উক্ত যাত্রীকে আন্তর্জাতিক আগমনী টার্মিনালের ক্যানোপি-১ এলাকায় তার লাগেজ থেকে মালামাল চুরির অভিযোগসহ কান্নারত অবস্থায় পাওয়া যায়। যাত্রী দাবি করেন, তার লাগেজ থেকে একটি পাওয়ার ব্যাংক, চার্জার, একটি স্বর্ণের চেইন এবং একজোড়া কানের দুল চুরি হয়েছে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করে যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কোনো মালামাল হারায়নি/চুরি যায়নি। যাত্রীর ব্যাগে (কাগজের কার্টন) থাকা পাওয়ার ব্যাংক আবুধাবি বিমানবন্দরে সিকিউরিটি আইটেম হিসেবে অপসারণ করে টেপ দিয়ে সিল করে দেওয়া হয়েছিল। অন্যান্য আইটেমের বিষয়ে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী বিমানে স্বর্ণালঙ্কার বা মূল্যবান জিনিসপত্র চেকইন লাগেজে বহন নিরুৎসাহিত করা হয় কিন্তু একান্তই আনতে হলে বিষয়টি অবশ্যই এয়ার লাইনস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। কিন্তু উক্ত যাত্রী এয়ার লাইনস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা ছাড়া তার চেকইন লাগেজে স্বর্ণের অলংকার নিয়ে আসেন, যা নিয়ম বহির্ভূত।

পরবর্তীতে ঘটনাটি বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থাপন করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সকে যাত্রীর লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করে তা মেইল আকারে এয়ারলাইন্সের আবুধাবি অফিসে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন। এ নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ইউ এস বাংলা এয়ারলাইনস সম্পূর্ণ ঘটনা উল্লেখ করে আবুধাবি বিমানবন্দরে একটি মেইল প্রেরন করেন যার উত্তর এখনও অপেক্ষমান।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের নিরাপত্তা, সেবার মান এবং অভিযোগের দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করতে সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।