শুক্রবার ৮ মে, ২০২৬
সর্বশেষ:
বাংলাদেশ ব্যাংকের আধুনিকায়নে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ব্যবসা পুনর্গঠনে নীতিগত সহায়তার মেয়াদ বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক পরিবহন খাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় একীভূত নীতিমালা জারি করল বাংলাদেশ ব্যাংক ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে দোকানপাট: দোকান মালিক সমিতি পোশাক খাতে কার্বন নিঃসরণ কমাতে বিজিএমইএ ও আইভি ডিকার্ব-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর তেল-গ্যাসের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর তোড়জোড়: নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় সাধারণ মানুষের সৌদি তেলের জাহাজ বন্দরে: পূর্ণ উৎপাদনে ফিরছে ইস্টার্ন রিফাইনারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে ভুক্তভোগী আমানতকারীদের মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন প্রতিবাদ মূল শিরোনাম: দেশে ফের বাড়ল মূল্যস্ফীতি, এপ্রিলে দাঁড়িয়েছে ৯.০৪ শতাংশে

মাধ্যমিকের বই মুদ্রণ ৯০ শতাংশ শেষ, সরবরাহ ৮০ শতাংশ ছাড়াল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের নতুন পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহের কাজে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মাধ্যমিক (৬ষ্ঠ-৯ম) ও ইবতেদায়ি স্তরের বই মুদ্রণের কাজ ইতিমধ্যে ৯০.১২ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। সারাদেশে বই সরবরাহের গড় হারও ৮০.৪৫ শতাংশ ছাড়িয়েছে।

সর্বোচ্চ সরবরাহে এগিয়ে ইবতেদায়ি

এনসিটিবি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য নির্ধারিত মোট ৩০ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৪টি পাঠ্যপুস্তকের মধ্যে ইবতেদায়ি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২১ কোটি ৪৩ লাখ ২৪ হাজার ২৭৪টি বই। এর মধ্যে ইবতেদায়ি স্তরে সরবরাহের হার সবচেয়ে বেশি, যা প্রায় ৯৬.১৬ শতাংশ। এই স্তরে মুদ্রণ ও বাঁধাইয়ের কাজ প্রায় ৯৮ শতাংশ শেষ।

মাধ্যমিকের শ্রেণিভিত্তিক অগ্রগতির চিত্র:

  • ৯ম শ্রেণি: ৫ কোটি ৭০ লাখ ৬৮ হাজার ২৮টি বইয়ের মধ্যে ৮৯.৭৩ শতাংশ বই সরবরাহ করা হয়েছে।
  • ৬ষ্ঠ শ্রেণি: ৪ কোটি ৪৩ লাখ ১৭ হাজার ৫০৯টি বইয়ের বিপরীতে ৮৬.৩৩ শতাংশ সরবরাহ সম্পন্ন।
  • ৭ম শ্রেণি: মুদ্রণ ৮৬.৯৮ শতাংশ শেষ হলেও সরবরাহ হয়েছে ৭১.৫১ শতাংশ।
  • ৮ম শ্রেণি: মুদ্রণ ৭৬.২৯ শতাংশ এবং সরবরাহ ৫৭.৮৯ শতাংশ। এই স্তরে বর্তমানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ চলছে।

১৫ জানুয়ারির মধ্যে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য

এনসিটিবি’র সচিব প্রফেসর মো. সাহতাব উদ্দিন জানান, বিদ্যুৎ ও পরিবহন ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকলে আগামী ১৫ জানুয়ারির আগেই অবশিষ্ট বইয়ের মুদ্রণ কাজ শেষ হবে। তিনি বলেন, “আমরা স্থানীয় উপজেলা শিক্ষা অফিস পর্যায়ে দ্রুত বই পৌঁছে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি এবং এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।”

এনসিটিবি’র জনসংযোগ কর্মকর্তা এস. এম. আসাদুজ্জামান বলেন, “বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে শতভাগ বই পৌঁছে দিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবি সমন্বিতভাবে কাজ করছে। যেসব স্তরে সরবরাহের হার কিছুটা কম, সেখানে বিশেষ তদারকির জন্য মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করছি ১৫ জানুয়ারির মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে শতভাগ বই পৌঁছে যাবে।”

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মাধ্যমিক স্তরে মোট ৪০৮ কোটি ২৪ লাখ ৪ হাজার ৪৬০টি ফর্মা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, যার সার্বিক বাঁধাই কাজ ৮৮.৩৫ শতাংশ শেষ হয়েছে।