শনিবার ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ডে খরচ ইনবাউন্ড লেনদেনের চেয়ে প্রায় চারগুণ বেশি: বাংলাদেশ ব্যাংক বৈশ্বিক ও জ্বালানি সংকটের মুখেও উৎপাদনশীলতা ধরে রাখতে লড়াই করে যাচ্ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত স্পেনের বার্সেলোনা টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬-এ বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন, এটি অনন্য নজির: প্রতিমন্ত্রী অমিত<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ মাসে জ্বালানিতে অতিরিক্ত খরচ ৪১২ কোটি ডলার: উপদেষ্টা তিতুমীর সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করল সরকার নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার

মাধ্যমিকের বই মুদ্রণ ৯০ শতাংশ শেষ, সরবরাহ ৮০ শতাংশ ছাড়াল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের নতুন পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহের কাজে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মাধ্যমিক (৬ষ্ঠ-৯ম) ও ইবতেদায়ি স্তরের বই মুদ্রণের কাজ ইতিমধ্যে ৯০.১২ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। সারাদেশে বই সরবরাহের গড় হারও ৮০.৪৫ শতাংশ ছাড়িয়েছে।

সর্বোচ্চ সরবরাহে এগিয়ে ইবতেদায়ি

এনসিটিবি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য নির্ধারিত মোট ৩০ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৪টি পাঠ্যপুস্তকের মধ্যে ইবতেদায়ি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২১ কোটি ৪৩ লাখ ২৪ হাজার ২৭৪টি বই। এর মধ্যে ইবতেদায়ি স্তরে সরবরাহের হার সবচেয়ে বেশি, যা প্রায় ৯৬.১৬ শতাংশ। এই স্তরে মুদ্রণ ও বাঁধাইয়ের কাজ প্রায় ৯৮ শতাংশ শেষ।

মাধ্যমিকের শ্রেণিভিত্তিক অগ্রগতির চিত্র:

  • ৯ম শ্রেণি: ৫ কোটি ৭০ লাখ ৬৮ হাজার ২৮টি বইয়ের মধ্যে ৮৯.৭৩ শতাংশ বই সরবরাহ করা হয়েছে।
  • ৬ষ্ঠ শ্রেণি: ৪ কোটি ৪৩ লাখ ১৭ হাজার ৫০৯টি বইয়ের বিপরীতে ৮৬.৩৩ শতাংশ সরবরাহ সম্পন্ন।
  • ৭ম শ্রেণি: মুদ্রণ ৮৬.৯৮ শতাংশ শেষ হলেও সরবরাহ হয়েছে ৭১.৫১ শতাংশ।
  • ৮ম শ্রেণি: মুদ্রণ ৭৬.২৯ শতাংশ এবং সরবরাহ ৫৭.৮৯ শতাংশ। এই স্তরে বর্তমানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ চলছে।

১৫ জানুয়ারির মধ্যে শতভাগ সরবরাহের লক্ষ্য

এনসিটিবি’র সচিব প্রফেসর মো. সাহতাব উদ্দিন জানান, বিদ্যুৎ ও পরিবহন ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকলে আগামী ১৫ জানুয়ারির আগেই অবশিষ্ট বইয়ের মুদ্রণ কাজ শেষ হবে। তিনি বলেন, “আমরা স্থানীয় উপজেলা শিক্ষা অফিস পর্যায়ে দ্রুত বই পৌঁছে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি এবং এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।”

এনসিটিবি’র জনসংযোগ কর্মকর্তা এস. এম. আসাদুজ্জামান বলেন, “বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে শতভাগ বই পৌঁছে দিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবি সমন্বিতভাবে কাজ করছে। যেসব স্তরে সরবরাহের হার কিছুটা কম, সেখানে বিশেষ তদারকির জন্য মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করছি ১৫ জানুয়ারির মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে শতভাগ বই পৌঁছে যাবে।”

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মাধ্যমিক স্তরে মোট ৪০৮ কোটি ২৪ লাখ ৪ হাজার ৪৬০টি ফর্মা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, যার সার্বিক বাঁধাই কাজ ৮৮.৩৫ শতাংশ শেষ হয়েছে।