মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
অবকাঠামো ও ইউটিলিটি সুবিধার ধীরগতিতে অর্থনৈতিক অঞ্চলে তৈরি হয়েছে আস্থাহীনতা: বেজিয়া সভাপতি সামাজিক সুরক্ষায় জাকাত: সেন্ট্রাল ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন প্রকাশ<gwmw style="display:none;"></gwmw> বাংলা কিউআর লেনদেনে ইন্টারচেঞ্জ রিইম্বার্সমেন্ট ফি শূন্য নির্ধারণ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক ভ্রমণ কোটার বাইরে আন্তর্জাতিক কার্ডে বিদেশে শিক্ষার ফি পরিশোধের অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ৪ লিজিং প্রতিষ্ঠানকে ‘অকার্যকর’ ঘোষণা, রেজল্যুশন কার্যক্রমে প্রশাসক বসালো বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ‘ন্যানো ঋণ’ চালুর উদ্যোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষায় ২৫ ল্যাপটপ দিল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বিদেশে বাংলাদেশি খেলাপিদের সম্পদ অনুসন্ধানে ৮ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ব্যাংক টাকায় বিদেশি ভ্রমণ প্যাকেজ বিক্রির সুযোগ পেলেন ট্যুর অপারেটররা: বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকে রউফ তালুকদার এবং ২৪ জন সন্দেহভাজন কর্মকর্তার লকার খুঁজে পায়নি দুদক

ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি:- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্তন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারসহ সন্দেহভাজন ২৫ জন কর্মকর্তার নামে লকার খুঁজে পায়নি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রেজিস্টার বই এবং অন্যান্য নথিতে অভিযানের পর দুদকের পরিচালক কাজী সায়েমুজ্জামান সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

“অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা যে ২৫ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছে এসেছিলাম, তাদের নামে কোনও লকার নেই। আরও অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। আদালতের অনুমোদনের ভিত্তিতে পরবর্তী অভিযানে দুদক আসবে,” তিনি আরও বলেন।

দুদকের পরিচালক সায়েমুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকে বিভিন্ন পদের কর্মকর্তাদের অভিযোগ রয়েছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের অনেকেই এখনও ব্যাংকে আছেন এবং অনেকেই প্রাক্তন কর্মকর্তা।

“কর্মকর্তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের খুলনা, বরিশাল এবং ঢাকা অফিসে আছেন।” “এখন পর্যন্ত প্রায় ২৭২টি সেফ ডিপোজিট লকার পাওয়া গেছে,” তিনি বলেন।

এর আগে রবিবার দুপুর ১২:৩০ টায় দুদকের পরিচালক কাজী সায়েমুজ্জামানের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি দল লকার তল্লাশি করতে বাংলাদেশ ব্যাংকে আসে।

সেই সময় দুদকের মহাপরিচালক আখতার হোসেন বলেন, ‘দুদকের দল এখনও বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযান চালাচ্ছে।’

তিনি বলেন, “আমাদের দল বিশ্বাস করে যে লকারগুলিতে জ্ঞাত আয়ের বাইরের সম্পদ, বৈদেশিক টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কার থাকতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রায় ৩০০টি লকার আছে। প্রয়োজনে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আরও ২-১ দিন সেখানে অভিযান চালানো যেতে পারে।”