শুক্রবার ২৬ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
১ জুলাই থেকে ‘বাংলা কিউআর’ কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক: ক্যাশলেস অর্থনীতির লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ<gwmw style="display:none;"></gwmw> জ্বালানি খাতের বরাদ্দ বৈষম্য দূর ও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর তাগিদ সানেমের<gwmw style="display:none;"></gwmw> প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রণালয়গুলোতে ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড বসানো হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ব্যাংকগুলোকে জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি এসএমই খাত: শিল্পমন্ত্রী ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক আইএমএফের নতুন ঋণের শর্ত: ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় উদ্যোগ: প্রবাসীদের জন্য ‘কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট’ চালু, ওএমইউ ও অফশোর ব্যাংকিংয়ে গতি আনার লক্ষ্য পাঁচটি দেউলিয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে শিগগিরই ইপিএ চুক্তি সই হবে: জাপানি রাষ্ট্রদূত

ঢাকা: বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত সই হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) কার্যালয়ে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, “সম্প্রতি টোকিওতে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ইপিএ বিষয়ক সপ্তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংলাপ শেষে শিগগিরই চুক্তিটি সই হবে, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন গতি আনবে।”

বৈঠকে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে জাপানের অনস্বীকার্য অবদানের কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরো (ইপিবি) এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৩.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে আমদানি ছিল ১.৮১ বিলিয়ন এবং রপ্তানি ১.৩১ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে জাপান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের জন্য ১২তম বৃহত্তম বাজার।

তাসকীন আহমেদ আরও জানান, নির্মাণ, টেক্সটাইল, সার, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের বিনিয়োগ ইতোমধ্যে ৫০৭ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে, জাপানের মোট বৈদেশিক বিনিয়োগ ১৮৪ বিলিয়ন ডলার হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য আরও বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি অটোমোবাইল, মেশিনারি, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, তথ্যপ্রযুক্তি, অবকাঠামো, লজিস্টিকস ও মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতে জাপানের প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি, এসএমই খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে সহযোগিতা কামনা করেন।

জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বলেন, বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে শিল্প খাতের বহুমুখীকরণ, সরকারি সেবায় দক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজার ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে, যা জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় হবে।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের দক্ষ মানবসম্পদের জন্য জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।

বৈঠকে ডিসিসিআই এর ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান এবং জাপান দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।