শুক্রবার ১২ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
ব্যাংকে পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ রোধে ব্যাংক কোম্পানি আইনের সংশোধনীর অবিলম্বে বাস্তবায়ন জরুরি: সাবেক গভর্নর করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে ৩.৭৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব, বছরজুড়ে দেওয়া যাবে রিটার্ন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট: উন্নয়ন ধারা সচল, সংস্কার ও জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক, আবগারি শুল্কমুক্ত সীমা বেড়ে ৪ লাখ টাকা স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য পূর্ণাঙ্গ ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব বাজেট ২০২৬-২৭: সংস্কার প্রস্তাবকে ফিকির স্বাগত, তবে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংশয় রোগীদের স্বার্থে হাসপাতাল খোলা রাখার সুযোগ চায় আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ আগামীকাল ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার মেগা বাজেট পেশ করবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু ইসলামী ব্যাংকের অস্থিরতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ এবিবির; এসএমই খাতের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকার নতুন প্যাকেজ

বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করতে নীতি সংস্কারের আহ্বান

ঢাকা– বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য একটি শক্তিশালী বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দিয়েছেন বক্তারা। তাঁরা বলেছেন, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য এই পরিবেশ অপরিহার্য।

গতকাল সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)-এর গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তাঁরা এসব কথা বলেন। এমসিসিআই ও পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ (পিইবি) যৌথভাবে এই বৈঠকের আয়োজন করে, যা অস্ট্রেলিয়া সরকারের ডিপার্টমেন্ট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ট্রেড (ডিএফএটি)-এর সহায়তায় অনুষ্ঠিত হয়।

“অর্থনৈতিক মোড় ঘোরানোর পথ: ব্যবসায়িক পরিবেশের অবস্থা এবং অগ্রাধিকার” শীর্ষক এই বৈঠকে বক্তারা উল্লেখ করেন, ২০২২ সাল থেকে বাংলাদেশ সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। কম বিনিয়োগ, সীমিত রপ্তানি বৈচিত্র্য এবং দুর্বল প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই)-এর মতো কাঠামোগত দুর্বলতা এই চ্যালেঞ্জকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

তাঁরা আশা প্রকাশ করেন যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া সাম্প্রতিক সংস্কার এবং সুশাসন ব্যবস্থা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের নতুন আশা জাগিয়েছে।

বৈঠকের প্রধান আলোচক ও অংশগ্রহণকারীরা প্রধান অতিথি : বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। নিয়ন্ত্রণমূলক সংস্কারের ওপর জোর: বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিডা-এর নির্বাহী সদস্য শাহ মোহাম্মদ মাহবুব এবং অস্ট্রাডের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কমিশনার বেন কারসন। তাঁরা উভয়েই বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে নিয়ন্ত্রণমূলক সংস্কার এবং বৈশ্বিক অংশীদারত্বের ওপর জোর দেন।

ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নতির তাগিদ: পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. মাসরুর রিয়াজ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি ব্যবসায়িক পরিবেশের জরুরি উন্নতি সাধন এবং বিনিয়োগের অগ্রাধিকার নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

শিল্প খাতের গুরুত্বপূর্ণ মতামত: প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের সিইও মোহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী এবং নিউএজ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম। তাঁরা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রধান চ্যালেঞ্জ ও সুযোগগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।

এই বৈঠকটি বিভিন্ন সরকারি, শিল্প ও কূটনৈতিক মহল থেকে আসা উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। এর মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরির বিষয়ে সবাই তাঁদের মতামত প্রকাশ করেন।এই গোলটেবিল বৈঠকের মতো একটি প্রাসঙ্গিক আলোচনার বিষয়কে সমর্থন করতে এই ভিডিওটি বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে আরও গভীর বিশ্লেষণ করে।

[