বুধবার ৪ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
ঋণখেলাপির সংস্কৃতি থেকে ব্যাংক লুটপাট: আর্থিক খাতের দুর্দশার জন্য দায়ী করলেন ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ পাবনায় কৃষি ও এসএমই উদ্যোক্তাদের ২.৭০ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করল ব্যাংকসমূহ অভিবাসী শ্রমিকের সুরক্ষা ও শক্তিশালী ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের আহ্বান বিএলএস-এফইএস যুব সম্মেলনে সংশোধিত সাইবার আইনে নাগরিকদের কণ্ঠরোধ না করার আহ্বান—ভয়েস ফর রিফর্মের সংলাপ ব্যাংকিং খাত স্থিতিশীলকরণে সিস্টেমিক ঝুঁকি ও আমানতকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে বিআইবিএম-এর কর্মশালা জুলাই-অক্টোবর সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১১.০৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম; রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৪১ বিলিয়ন ডলার অস্ট্রেলিয়ার নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ, বিএসআরইএর সংবাদ সম্মেলন ২০২৬ সালে মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতের চেয়ে এগিয়ে থাকতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ মৎস্য খাতের শ্রমিকদের আইনি সুরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার দাবি: বিলস-এফইএস সংলাপ

বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করল টেটনের এআই নির্ভর বহনযোগ্য ‘মাই ইসিজি’ যন্ত্র

ঢাকা, ১১ অক্টোবর (বিডিইকোনমি): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নির্ভর বহনযোগ্য ইসিজি যন্ত্র ‘মাই ইসিজি এআই প্রো’ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করেছে। মাত্র ৭ হাজার টাকা মূল্যের এই ডিভাইসটি বাজারে এনেছে টেটন ইলেকট্রনিক্স। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে তৈরি এই যন্ত্রটি দিয়ে বাসা বাড়িতে বসেই নিজে নিজে ইসিজি করা সম্ভব এবং এর রিপোর্ট সরাসরি স্মার্টফোনে চলে আসে। সহজে বহনযোগ্য হওয়ায় দুর্গম এলাকা এবং জেলা সদর হাসপাতাল থেকে দূরের রোগীদের হৃদরোগের চিকিৎসায় এটি অত্যন্ত উপযোগী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রোববার রাজধানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যন্ত্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. খন্দকার আবদুল আউয়াল রিজভী।

অনুষ্ঠানে টেটন প্রাইভেট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. মিজান রহমান বলেন, টেটন প্রযুক্তিকে শুধু একটি পণ্য হিসেবে নয়, মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব সমস্যার সমাধান হিসেবে কাজে লাগাতে চায়।

‘মাই ইসিজি এআই প্রো’ হলো একটি সহজে বহনযোগ্য ১২-লিড ইসিজি যন্ত্র, যা দিয়ে ঘরে বা সুবিধাজনক স্থানে বসে ইসিজি ধারণ (রেকর্ড) করা যায়। মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ইসিজি ধারণের পর ব্যবহারকারী একটি ডিজিটাল পিডিএফ প্রতিবেদন (রিপোর্ট) তৈরি করতে পারেন এবং প্রয়োজনে তা চিকিৎসকের কাছে পাঠাতে বা শেয়ার করতে পারেন। এর ফলে ইসিজি করানোর জন্য বারবার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমবে। তবে ইসিজি প্রতিবেদনের মূল্যায়ন ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক বলে জানানো হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, স্বাস্থ্য প্রযুক্তিকে সহজে ব্যবহারযোগ্য ও মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসাই তাদের মূল লক্ষ্য। এই নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে রোগী ও চিকিৎসকের মধ্যে জরুরি স্বাস্থ্য তথ্যের আদান-প্রদান আরও সহজতর হবে।