রবিবার ৩১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ:
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেশজুড়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত আইএমএফের সঙ্গে নতুন ৪০০-৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, বাতিল হচ্ছে চলমান তহবিল আগামী ২০২৬-২৭: বৈশ্বিক অস্থিরতা ও ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে জোর দেওয়ার পরামর্শ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মুনাফাসহ পূর্ণ টাকা ফেরত চান ৬ এনবিএফআইয়ের আমানতকারীরা; শুধু মূলধন ফেরতের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান অর্থনীতিতে গতি আনতে ও ২৫ লাখ কর্মসংস্থানের টার্গেটে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা আস্থা হারানো ইসলামী ব্যাংকের পুনরুদ্ধারের লড়াই এবং ওমর ফারুক খানের নেতৃত্বের গল্প আসন্ন বাজেটে পরোক্ষ করের ফাঁদ: অর্থনৈতিক বৈষম্য আরও বাড়ার আশঙ্কা অর্থনীতিবিদদের স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশ করার দাবি এনডিএফের<gwmw style="display:none;"></gwmw> বাংলাদেশ সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দিলে কার্যকর অংশীদারিত্বে এগিয়ে আসবে নিউজিল্যান্ড: বিজিএমইএ-এর সঙ্গে বৈঠকে হাইকমিশনার

দক্ষিণ এশিয়ার খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে এসএসি এবং আইএফপিআরআই-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

ঢাকা: দক্ষিণ এশিয়ায় কৃষি গবেষণা, সম্প্রসারণ সেবা, পুষ্টি এবং নীতি উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টার (এসএসি) এবং ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (আইএফপিআরআই) এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) সই হয়েছে।

নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে সার্কের মহাসচিব রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারওয়ার প্রধান অতিথি এবং আইএফপিআরআই-এর মহাপরিচালক ড. জোহান সুইনেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এই সমঝোতা স্মারকটি সই হয়।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এসএসি, ঢাকার পরিচালক ড. মো. হারুনুর রশীদ; আইএফপিআরআই-এর দক্ষিণ এশিয়া অফিসের পরিচালক ড. শাহিদুর রশীদ; আইএফপিআরআই, ওয়াশিংটনের সিনিয়র পরিচালক ড. পূর্ণিমা মেনন এবং আইএফপিআরআই, ওয়াশিংটনের ব্যবসা উন্নয়ন ও বহিঃসম্পর্ক পরিচালক ড. টিউনিস ভ্যান রিনেন।

রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারওয়ার বলেন, এই সমঝোতা স্মারকটি আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রযুক্তি উন্নয়ন ও তার কার্যকর প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ড. জোহান সুইনেন জানান, জ্ঞান সৃষ্টি ও ব্যবস্থাপনা, কৃষি বাণিজ্য, নীতি উদ্ভাবন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই সহযোগিতা আরও উন্নত হবে।

অনুষ্ঠানটি একটি খাদ্য-নিরাপদ, স্থিতিস্থাপক এবং সমৃদ্ধ দক্ষিণ এশিয়া গড়ার অঙ্গীকারের মাধ্যমে শেষ হয়।