সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ: ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিতরণ ছাড়িয়েছে ১৪,৫১৯ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ ব্যবসার লাইসেন্সে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত সার্কুলার জারি গবেষণা, প্রযুক্তি ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান: এইউএসটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন শুরু ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলা ও আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ, মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষায় জোর দিতে ঢাকায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু ১৭ অক্টোবর নতুন সংসদ সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন ও প্রশিক্ষণে সহায়তা দিতে প্রস্তুত ইউএনডিপি আজারবাইজানে সিইসিএ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে দুদিনে ১২ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা : বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং ডলারের বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে দীর্ঘ দুই মাস পর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে আবারো ডলার কেনা শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার চারটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ১২২.৭৫ টাকা দরে ৫ কোটি (৫০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে গতকাল বুধবার ১২২.৭০ টাকা দরে আরও ৭ কোটি (৭০ মিলিয়ন) ডলার কেনা হয়েছিল।

এই নিয়ে চলতি এপ্রিল মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ১২ কোটি ডলার ক্রয় করল। ২০২১-২৬ অর্থবছরের এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট ডলার ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫.৬১ বিলিয়ন (৫৬১ কোটি) ডলারে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, চলতি সপ্তাহের শুরুতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে মৌখিকভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল যেন প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) ডলার সর্বোচ্চ ১২২.৯০ টাকা দরে কেনা হয়। তবে নিলামের মাধ্যমে কিছুটা কম দামে (১২২.৭৫ টাকা) ডলার কিনে বাজারকে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মূল লক্ষ্য হলো ডলারের বিনিময় হার ১২২.৭৫ টাকার আশেপাশে স্থিতিশীল রাখা।

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে বাজারে ডলারের সরবরাহ সন্তোষজনক। তারা মনে করছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই হস্তক্ষেপ ডলারের দামের অযৌক্তিক বৃদ্ধি রোধ করবে, যা আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং মূল্যস্ফীতি ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হবে।

সম্প্রতি ইরানকে কেন্দ্র করে ভূ-রাজনৈতিক উত্তজনার কারণে বাজারে কিছুটা চাপ সৃষ্টি হয়েছিল এবং কিছু ব্যাংক চড়া দরে ডলার সংগ্রহ করছিল। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং বিনিময় হার কিছুটা কমে আসবে।

আর্থিক বিশ্লেষকরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বাজার-ভিত্তিক হস্তক্ষেপকে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এটি অস্থিতিশীল বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে ভারসাম্য রক্ষা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।