রবিবার ৯ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাতকে যুক্ত করতে খসড়া নীতিমালা এনআরবিসি ব্যাংকের অর্ধবার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত অর্থবছর ২৬-এ কৃষি ঋণ বিতরণ ৪২,৮৩৪ কোটি টাকা ছাড়াল: লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯.৮৩ শতাংশ বেশি উন্নয়নশীল অর্থনীতির ১৬.২% শ্রমিকের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারে এআই: বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের মূল চালিকাশক্তি শিল্প কারখানার ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ: আইইইএফএ রিপোর্ট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে বিটিএমএ ও বিজিএমইএর যৌথ আয়োজনে ‘বিটমা’ প্রদর্শনী সোয়িফটের নতুন ক্রস-বর্ডার পেমেন্ট স্কিমে বিশ্বের প্রথম ব্যাংক সিটি ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> অনুমোদিত মূলধন দ্বিগুণ করে ৩,০০০ কোটি টাকা করলো ব্যাংক এশিয়া সোনালী ব্যাংকের ৫ করপোরেট শাখায় ঋণ বিতরণের সর্বোচ্চ সীমা তুললো বাংলাদেশ ব্যাংক

ঈদুল ফিতরের আগে রেমিট্যান্সের জোয়ার: ২৪ দিনে এল ৩ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে ব্যাপক গতি সঞ্চার হয়েছে। ২০২৬ সালের মার্চের প্রথম ২৪ দিনেই দেশে এসেছে ৩.০৫ বিলিয়ন (৩০৫ কোটি) মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবাহ ১০.৯ শতাংশ বেশি। ২০২৫ সালের মার্চের প্রথম ২৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২.৭৪ বিলিয়ন ডলার।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রবাসী আয় একের পর এক নতুন রেকর্ড গড়ছে। গত বছরের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ২৪ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট ২৫.৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এটি গত অর্থবছরের (২০২৪-২৫) একই সময়ের ২১.২৩ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ২০.১ শতাংশ বেশি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের ২.৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা অবৈধ ‘হুন্ডি’ ব্যবস্থা নিরুৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, মাসের প্রথমার্ধেই আয়ের প্রবাহ ছিল সবচেয়ে বেশি। মার্চের প্রথম ১৪ দিনেই প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২.২০ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫.৭ শতাংশ বেশি। এছাড়া ১৬ থেকে ২৩ মার্চের মধ্যে দেশে আরও ৩৯২ মিলিয়ন ডলার এসেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদ উপলক্ষে পরিবারের উৎসবের খরচ মেটাতে প্রতি বছরই এই সময়ে প্রবাসীরা বেশি টাকা পাঠিয়ে থাকেন।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এই নিরবচ্ছিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ দেশের রিজার্ভকে শক্তিশালী করছে। ২০২৬ সালের ১৬ মার্চের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের গ্রস (মোট) রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলারে। আইএমএফ-এর বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী নিট রিজার্ভের পরিমাণ ২৯.৫২ বিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রবাসীদের এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে রেমিট্যান্স আহরণ পূর্বের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। এতে টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল হওয়ার পাশাপাশি বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যের ওপর চাপ অনেকাংশে কমে আসবে।