বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
মেঘনা ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড অনুমোদন করল বিএসইসি বিডিঅ্যাপসের সর্বকনিষ্ঠ ডেভেলপার ১১ বছরের যমজ ভাই তানভীর ও তাফসীর বাংলাদেশ-চীন সুসম্পর্ক সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন তরুণ লেখকরা: লি শাওপেং ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গঠন ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবিতে গ্রাহকদের বিক্ষোভ বাংলা কিউআরে লেনদেন ১১০ কোটি টাকা ছাড়াল চট্টগ্রামে রবির ‘এলিট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’, যুক্ত হলো ২১ নতুন অংশীদার ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন: ৫০ হাজার কর্মসংস্থান ও জিডিপিতে অবদান বৃদ্ধির লক্ষ্য ২২ দিনে প্রবাসী আয় ২১৫ কোটি ডলার ছাড়াল ইনভেস্ট বাংলাদেশ-এর কার্যক্রম শুরু

অবসরের পর কোথায় হারাবেন কোহলি?

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে বিরাট কোহলির থাকা নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। পারিবারিক কারণে দুয়েক মাস মাঠের বাইরে থাকলেও, আইপিএল দিয়ে ফেরার পর কেন দলে থাকবেন সেটি প্রমাণ করেছেন তিনি। চলতি আইপিএলে এখনও সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক কোহলি। ফলে বিশ্বকাপের দলে জায়গা করে নিতে আর বেগ পেতে হয়নি। এর ভেতরই অবসর নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়েছে কোহলিকে, যেখানে তিনি ক্রিকেট ছাড়ার পর আড়ালে চলে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

আইপিএলের শুরু থেকেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে খেলে আসছেন কোহলি। যদিও দলটি এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত সাফল্য পায়নি। তাদের সফলতা বলতে কেবল এক আসরে রানার্স-আপ হওয়া। তবে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে উজ্জ্বল সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক। চলতি আসরে এখন পর্যন্ত ১৩ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৬৬১ রান করেছেন কোহলি। ৬৬.১০ গড় এবং ১৫৫.১৫ স্ট্রাইকরেটে তিনি ব্যাট করেছেন। 

বেঙ্গালুরু ফ্র্যাঞ্জাইজির একটি অনুষ্ঠানে নিজের অবসর নিয়ে কথা বলেছেন কোহলি। সেখানে দলটির ডানহাতি ওপেনার বলেন, ‘সহজ কথায় বলতে গেলে আমি কোনো আক্ষেপ রেখে যেতে চাই না। মাঠ থেকে যা যা পাওয়ার, নিয়ে যেতে চাই। যতদিন খেলব নিজের সবটাই দিয়ে যাব, কিন্তু যখন খেলাটা শেষ করব, তখন চলে যাব, আপনারা আমাকে অনেক দিনের জন্য দেখবেন না (হাসি)।’ মাঝে তার স্ট্রাইকরেট নিয়ে সমালোচনায় মেতেছিলেন স্বদেশি কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার। তবে সেই সমালোচনার জবাব আকার–ইঙ্গিতে প্রকাশের পাশাপাশি কোহলি মাঠেও দিয়েছেন।

প্রতি ম্যাচে নিজের সেরাটা দেওয়ার তাড়না কোথায় পান—এই প্রশ্নে কোহলির উত্তর, ‘বিষয়টা সহজ। খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের ক্যারিয়ারের শেষ আছে। এটা ভেবে ক্যারিয়ার শেষ করতে চাই না—ওহ! ওই দিন যদি ওটা করতাম! কারণ, সারা জীবন তো খেলে যেতে পারব না। এটা আসলে অসমাপ্ত কাজ রেখে না যাওয়ার বিষয়, পরে অনুশোচনায় না ভোগার বিষয়, যেটা আমি নিশ্চিত, ভুগব না।