শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ:
সুশাসনের অভাবে ধুঁকছে ব্যাংকিং খাত: ১৭ ব্যাংক লোকসানে, ১১ ব্যাংকের সিএসআর শূন্য রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: আইনমন্ত্রী<gwmw style="display:none;"></gwmw> আর্থিক, রাজস্ব ও বিনিময় হার—তিন খাতে ব্যাপক সংস্কার দরকার: আইএমএফ জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে দুদিনে ১২ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক গণমাধ্যম ও চলচ্চিত্র খাতে সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-বেইজিং ঐকমত্য ঢাবি শামসুন নাহার হলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় লিমা চ্যাম্পিয়ন ব্যাংক রেজোলিউশন কাঠামো কি অযোগ্য মালিকদের প্রত্যাবর্তনে সফল হতে পারে? শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠিত বেপজা ৪৬ বছরে পদার্পণ: দেশের জাতীয় রপ্তানির ১৭ শতাংশ অবদান রাখছে

বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে টেলিনর সিইও-র সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে দীর্ঘমেয়াদী অংশীদার হিসেবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে টেলিনর গ্রুপ। সোমবার টেলিনর গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও সিইও বেনেডিক্টে শিলব্রেড ফাসমার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে টেলিনর প্রতিনিধিদলে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমানসহ প্রতিষ্ঠান দুটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিজিটাল-নির্ভর ভবিষ্যতের শক্ত ভিত্তি

বৈঠকে বেনেডিক্টে শিলব্রেড ফাসমার বাংলাদেশে টেলিনরের তিন দশকের কার্যক্রমের সফলতার কথা তুলে ধরেন। আলোচনায় উঠে আসে যে, বাংলাদেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী এবং দ্রুত ডিজিটাল জীবনধারা গ্রহণের প্রবণতা একটি উদ্ভাবন-বান্ধব ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত সহায়ক। উভয় পক্ষই আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করেন যে, আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের ডিজিটাল-নির্ভর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার শক্ত ভিত্তি রয়েছে।

১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি ও এআই দক্ষতা

আলোচনায় ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ডিজিটাল খাতের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সহ ভবিষ্যৎ-উপযোগী প্রযুক্তিগত দক্ষতা গড়ে তোলার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। টেলিনর জানায়, দক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তারা শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবে।

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের গুরুত্ব

টেলিনর সিইও উল্লেখ করেন যে, এশিয়ায় টেলিনরের ব্যবসায়িক কৌশলে বাংলাদেশের গুরুত্ব অপরিসীম। সংযোগ সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি জোরদার করতে প্রতিষ্ঠানটি অঙ্গীকারবদ্ধ। তবে টেকসই অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে একটি পূর্বানুমেয় এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতিগত ও নিয়ন্ত্রক পরিবেশের প্রয়োজনীয়তার ওপর বৈঠকে গুরুত্বারোপ করা হয়।

নিরাপদ ও স্মার্ট আগামী গড়ার অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে টেলিনর ও গ্রামীণফোন বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী সম্ভাবনার ওপর তাদের আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছে। সামাজিক উন্নয়নে ডিজিটাল সংযোগের পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন