সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
অবকাঠামো ও ইউটিলিটি সুবিধার ধীরগতিতে অর্থনৈতিক অঞ্চলে তৈরি হয়েছে আস্থাহীনতা: বেজিয়া সভাপতি সামাজিক সুরক্ষায় জাকাত: সেন্ট্রাল ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন প্রকাশ<gwmw style="display:none;"></gwmw> বাংলা কিউআর লেনদেনে ইন্টারচেঞ্জ রিইম্বার্সমেন্ট ফি শূন্য নির্ধারণ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক ভ্রমণ কোটার বাইরে আন্তর্জাতিক কার্ডে বিদেশে শিক্ষার ফি পরিশোধের অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ৪ লিজিং প্রতিষ্ঠানকে ‘অকার্যকর’ ঘোষণা, রেজল্যুশন কার্যক্রমে প্রশাসক বসালো বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ‘ন্যানো ঋণ’ চালুর উদ্যোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষায় ২৫ ল্যাপটপ দিল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বিদেশে বাংলাদেশি খেলাপিদের সম্পদ অনুসন্ধানে ৮ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ব্যাংক টাকায় বিদেশি ভ্রমণ প্যাকেজ বিক্রির সুযোগ পেলেন ট্যুর অপারেটররা: বাংলাদেশ ব্যাংক

৪ লিজিং প্রতিষ্ঠানকে ‘অকার্যকর’ ঘোষণা, রেজল্যুশন কার্যক্রমে প্রশাসক বসালো বাংলাদেশ ব্যাংক

ঢাকা, ১০ আগস্ট (বিডিইকোনমি)– আর্থিক খাতে সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে চারটি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে (এনবিএফআই) ‘অকার্যকর’ (Non-Viable) ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সাথে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর আওতায় এসব প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠান চারটি হলো— আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেড, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।

রবিবার (৯ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, আর্থিক খাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, আমানতকারী ও অন্যান্য পাওনাদারের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং আর্থিক ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় আর্থিক সক্ষমতা ও পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোতে বড় অঙ্কের মূলধন ঘাটতি, উচ্চমাত্রার শ্রেণিকৃত ঋণ ও বিনিয়োগ, তারল্য সংরক্ষণে ব্যর্থতা, ক্রমাগত আয়ক্ষমতার অবনতি এবং আমানতকারী ও পাওনাদারদের দায় পরিশোধে অক্ষমতাই এই পদক্ষেপের প্রধান কারণ।

রেজল্যুশন কার্যক্রম সুষ্ঠু, কার্যকর ও নির্বিঘ্নে পরিচালনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব কর্মকর্তাদের ‘অ্যাডমিনিস্ট্রেটর’ (Administrator) ও ‘অ্যাসোসিয়েট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর’ (Associate Administrator) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক রেজল্যুশন কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা প্রকাশ করেছে যে, এই কঠোর ও যুগান্তকারী পদক্ষেপের মাধ্যমে আর্থিক খাতে সুশাসন ও শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।