বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
সংশোধিত সাইবার আইনে নাগরিকদের কণ্ঠরোধ না করার আহ্বান—ভয়েস ফর রিফর্মের সংলাপ ব্যাংকিং খাত স্থিতিশীলকরণে সিস্টেমিক ঝুঁকি ও আমানতকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে বিআইবিএম-এর কর্মশালা জুলাই-অক্টোবর সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১১.০৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম; রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৪১ বিলিয়ন ডলার অস্ট্রেলিয়ার নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ, বিএসআরইএর সংবাদ সম্মেলন ২০২৬ সালে মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতের চেয়ে এগিয়ে থাকতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ মৎস্য খাতের শ্রমিকদের আইনি সুরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার দাবি: বিলস-এফইএস সংলাপ পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩৭ হাজার ১২৫ টাকা নির্ধারণের দাবি ৩৫ শ্রমিক ফেডারেশনের দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে ৬ কার্গো এলএনজি আমদানির সুপারিশ সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির<gwmw style="display:none;"></gwmw> চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এডিপি বাস্তবায়নের হার নেমে এসেছে ৩.৮৯ শতাংশে: আইএমইডি

অভিবাসন ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে আইওএমের সাথে ৫০ মিলিয়ন ইউরোর চুক্তি স্বাক্ষর করলো অর্থ মন্ত্রণালয়

ঢাকা, এপ্রিল ১৬: অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয় গত ১৫ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সাথে ৫০ মিলিয়ন ইউরো সমমূল্যের একটি অনুদান চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ‘উন্নত অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য জোরদারকৃত পরিষেবা প্রদান ব্যবস্থা’ শীর্ষক এই চুক্তিটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা কর্তৃক বাস্তবায়িত চার বছর মেয়াদী একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে অবদান রাখবে। প্রকল্পটি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিবাসন ও পুনঃএকত্রীকরণ সংক্রান্ত উদ্যোগকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।

প্রকল্পটির উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশে শক্তিশালী, লিঙ্গ-সংবেদনশীল এবং অধিকার-ভিত্তিক অভিবাসন ও পুনঃএকত্রীকরণ পরিষেবাগুলিতে অবদান রাখা যা নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন অনুশীলন এবং অভিবাসী ও প্রত্যাবর্তিতদের টেকসই পুনঃএকত্রীকরণ নিশ্চিত করে। এই প্রকল্পটি দুটি প্রধান ফলাফলের মাধ্যমে এটি অর্জন করতে চায়: অভিবাসন পরিষেবা প্রদান ব্যবস্থার জোরদারকরণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ প্রত্যাবর্তিতদের সহায়তা প্রদান।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব জনাব মোঃ শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং আইওএম বাংলাদেশের মিশন প্রধান জনাব ল্যান্স বোন্নো এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ইআরডি-র জাতিসংঘ শাখা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ে, আইওএম-এর পুনঃএকত্রীকরণ সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ৪০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং কয়েক দশক ধরে সকলের সুবিধার্থে অভিবাসন ব্যবস্থাপনার উন্নতির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। মানবিক ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন প্রচারকারী প্রধান আন্তঃসরকারি সংস্থা হিসেবে, আইওএম এজেন্ডা ২০৩০ এবং নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসনের জন্য গ্লোবাল কমপ্যাক্ট (জিসিএম)-এর মতো অন্যান্য বৈশ্বিক কাঠামো অর্জনে সহায়তা করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এই প্রকল্পটি অভিবাসন ও পুনঃএকত্রীকরণ এর জন্য সরকারের অগ্রাধিকারগুলিকে সমর্থন করার জন্য তৈরি করা হয়েছে, যা বৈশ্বিক, আঞ্চলিক এবং জাতীয় উন্নয়ন কাঠামো ও অগ্রাধিকারগুলির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।