সোমবার ২৪ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
বাংলা কিউআরে লেনদেন ১১০ কোটি টাকা ছাড়াল চট্টগ্রামে রবির ‘এলিট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’, যুক্ত হলো ২১ নতুন অংশীদার ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন: ৫০ হাজার কর্মসংস্থান ও জিডিপিতে অবদান বৃদ্ধির লক্ষ্য ২২ দিনে প্রবাসী আয় ২১৫ কোটি ডলার ছাড়াল ইনভেস্ট বাংলাদেশ-এর কার্যক্রম শুরু শিল্পখাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের আহ্বান ঢাকা চেম্বারের প্রবাসী আয়ের একটি অংশ এসএমই খাতে বিনিয়োগ করলে কর্মসংস্থান ও স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে: আইওএম প্রধান<gwmw style="display:none;"></gwmw> গ্রাম থেকে শহর—প্রতিটি মানুষের কাছে উন্নত ইন্টারনেট ও টেলিকম সেবা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর এসএস পাওয়ারকে ৩২ লাখ ডলারের বৈদেশিক ঋণ ছাড়ের অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

অনুমতি না মেলায় বুড়িমারীতে আটকে ভুটানের পরীক্ষামূলক পণ্য চালান

নিউজ ডেস্ক, ঢাকা: ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ভুটানে পণ্য পরিবহনের (ট্রানশিপমেন্ট) পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরুতেই হোঁচট খেয়েছে।

থাইল্যান্ড থেকে চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে আসা ভুটানের প্রথম ট্রানশিপমেন্ট চালানের একটি পণ্যবাহী কনটেইনার লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দরে আটকে আছে।গত বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) কনটেইনারটি বুড়িমারী স্থলবন্দরে পৌঁছানোর পর পরই জটিলতা শুরু হয়। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার কয়েক দফা চেষ্টা করেও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের ‘নো অবজেকশন’ বা অনুমতি না থাকায় পণ্যটি ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।

উদ্দেশ্য ছিল কানেক্টিভিটি বৃদ্ধি। বাংলাদেশ ও ভুটান প্রটোকল চুক্তির আওতায় দুই দেশের মধ্যে কানেক্টিভিটি বা যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। গত এপ্রিলে দুই দেশের বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, পরীক্ষামূলকভাবে দুটি পণ্যের চালান বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর ও সড়কপথ এবং ভারতের সড়কপথ ব্যবহার করে ভুটানে পাঠানো হবে। তারই অংশ হিসেবে এই প্রথম চালানটি চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে বুড়িমারী আসে।

আটকে থাকা পণ্যের বিবরণ-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ‘আবিত ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড’-এর পাঠানো এই চালানে ছয় ধরনের পণ্য রয়েছে। এর মধ্যে ফলের জুস, জেলি, শুকনো ফল, লিচু ফ্লেভারের ক্যান্ডি ও শ্যাম্পু উল্লেখযোগ্য। কনটেইনারটি গত ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায় এবং সেখান থেকে সড়কপথে বুড়িমারীতে আনা হয়।

বেনকো লিমিটেডের প্রতিনিধি ও সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ফারুক হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম থেকে আসা ভুটানের পরীক্ষামূলক ট্রানশিপমেন্ট চালানটি বর্তমানে বুড়িমারীতেই অবস্থান করছে। ভারত তাদের সড়ক ব্যবহারের অনুমতি দিলেই আমরা পণ্যটি ওপারে পাঠাতে পারবো।”

বাংলাদেশের প্রস্তুতি সম্পন্ন বুড়িমারী স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মাহমুদুল হাসান নিশ্চিত করেছেন যে, বৃহস্পতিবার থেকেই কনটেইনারটি বন্দরের ইয়ার্ডে রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে।অন্যদিকে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন বলে জানিয়েছেন বুড়িমারী কাস্টমস স্টেশনের সহকারী কমিশনার দেলোয়ার হোসেন।

তিনি বলেন, “ভুটানের চালানের সব কাস্টমস প্রক্রিয়া আমরা সম্পন্ন করেছি। এখন শুধু ভারতীয় কাস্টমস বা কর্তৃপক্ষের অনুমতির অপেক্ষা। সবুজ সংকেত পেলেই পণ্যটি ভুটানের উদ্দেশ্যে ছাড় করা হবে।”শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, ভারতের উচ্চপর্যায়ের কর্তৃপক্ষ কবে নাগাদ অনুমতি দেবে বা আদৌ দেবে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো দপ্তর নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেনি।

ফলে বহুল প্রতীক্ষিত এই পরীক্ষামূলক ট্রানশিপমেন্ট কার্যক্রম অনিশ্চয়তার মুখেই পড়ে রয়েছে। এই সংবাদটি ইংরেজিতে অনুবাদ করে দিতে পারি, যদি আপনি চান।