বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে ৩৬ শতাংশ পর্যন্ত ২০ দিনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত প্রত্যাহার ৩,২৪৫ কোটি টাকা ঢাকার বসুন্ধরায় সনির প্রথম অনুমোদিত ক্যামেরা সার্ভিস সেন্টার উদ্বোধন সাড়ে ৫ বছর পর ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে টাকা: বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ও ইউনানের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির উদ্যোগ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ১৪তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তনে বদলে যাচ্ছে খানাপিনার অভ্যাস, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি: গবেষণা কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা এসডিজি অর্জনে গতি বৃদ্ধি ও সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষার দাবি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো তিতাস-২৮ কূপের গ্যাস, দৈনিক মিলবে ১২-১৩ এমএমসিএফডি

সূদের হার কমানো ও রপ্তানি সহায়তা তহবিল বৃদ্ধির তাগিদ: গভর্নরের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বৈঠক

ঢাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ. মনসুরের সঙ্গে বৈঠক করেছে ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) সহ বিভিন্ন বাণিজ্য সংস্থার একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এলডিসি-উত্তর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার প্রস্তাব বৈঠকে প্রধানত ২০২৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর ব্যবসা-বাণিজ্যে যে নতুন চ্যালেঞ্জগুলো আসবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বেসরকারি খাতের পক্ষ থেকে গভর্নরের কাছে বেশ কিছু প্রস্তাব/সুপারিশ তুলে ধরেন। এসব প্রস্তাবের লক্ষ্য ছিল জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা-বাণিজ্য পুনরুদ্ধার, অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সুদৃঢ় এবং গতিশীল করা।

প্রতিনিধিদল জোর দিয়ে বলেন, এলডিসি উত্তরণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সুবিধা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার ক্ষেত্রে নতুন চাপ সৃষ্টি করবে, যা মোকাবিলায় নীতি সহায়তা জরুরি।

ব্যবসায়ীদের মূল দাবি ও সুপারিশসমূহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পেশ করা সুপারিশগুলোর মধ্যে ছিল: সুদের হার কমানো, সামগ্রিক সুদের হার কমিয়ে একটি সহনশীল পর্যায়ে নিয়ে আসা। রপ্তানি সহায়তা বৃদ্ধি:রপ্তানি উন্নয়ন ফান্ডের (EDF) আকার বাড়ানো এবং এর সুদের হার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া। নীতি সহায়তার মেয়াদ বৃদ্ধি: ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে গঠিত নীতি সহায়তা প্রদান সংক্রান্ত কমিটির কার্যকাল বর্ধিত করা। ‘পয়েন্ট অব কন্টাক্ট’ স্থাপন: রপ্তানিমুখী শিল্পের ব্যাংকিং সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি বিশেষ ‘পয়েন্ট অব কন্টাক্ট’ বা নিবেদিত যোগাযোগ কেন্দ্র স্থাপন করা।

এসএমই সুবিধা: এসএমই -দের (ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প) জন্য বন্ড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলার সুবিধা প্রদান করা, যাতে ছোট উদ্যোক্তাদের বাণিজ্য অর্থায়ন সহজ হয়।

গভর্নরের আশ্বাস ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি মনোযোগ সহকারে শোনেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। তিনি অবিলম্বে কিছু পদক্ষেপ এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন, যা বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করবে।

এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মোঃ আলমগীর সহ প্রতিনিধি দলে ছিলেন এফবিসিসিআই’র সাবেক সহ-সভাপতি আবুল কাশেম হায়দার ও নিজাম উদ্দিন রাজেশ, বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি এস এম ফজলুল হক, বর্তমান বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, এফবিসিসিআই’র সাবেক পরিচালক আব্দুল হক, গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী (খোকন), আব্দুল ওয়াহেদ, আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, বাংলাদেশ সিএনজি মেশিনারিজ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন (নয়ন), এবং বাংলাদেশ সুপার মার্কেটস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।