রবিবার ৩১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ:
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে দেশজুড়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত আইএমএফের সঙ্গে নতুন ৪০০-৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, বাতিল হচ্ছে চলমান তহবিল আগামী ২০২৬-২৭: বৈশ্বিক অস্থিরতা ও ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে জোর দেওয়ার পরামর্শ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মুনাফাসহ পূর্ণ টাকা ফেরত চান ৬ এনবিএফআইয়ের আমানতকারীরা; শুধু মূলধন ফেরতের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান অর্থনীতিতে গতি আনতে ও ২৫ লাখ কর্মসংস্থানের টার্গেটে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা আস্থা হারানো ইসলামী ব্যাংকের পুনরুদ্ধারের লড়াই এবং ওমর ফারুক খানের নেতৃত্বের গল্প আসন্ন বাজেটে পরোক্ষ করের ফাঁদ: অর্থনৈতিক বৈষম্য আরও বাড়ার আশঙ্কা অর্থনীতিবিদদের স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশ করার দাবি এনডিএফের<gwmw style="display:none;"></gwmw> বাংলাদেশ সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দিলে কার্যকর অংশীদারিত্বে এগিয়ে আসবে নিউজিল্যান্ড: বিজিএমইএ-এর সঙ্গে বৈঠকে হাইকমিশনার

সুদের হার কমালো রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক, তবে কঠোর নীতি বজায় রাখার ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, মস্কো : রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক শুক্রবার টানা পঞ্চম বারের মতো তাদের মূল সুদের হার (Key Interest Rate) হ্রাস করেছে। তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং মুদ্রাস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রায় নামিয়ে আনতে ঋণের ওপর উচ্চ ব্যয় বা কঠোর মুদ্রানীতি দীর্ঘ সময় বজায় রাখা হবে।

সুদের হারের বর্তমান পরিস্থিতি শুক্রবার ব্যাংক অব রাশিয়া তাদের মূল সুদের হার ১৬.৫% থেকে কমিয়ে ১৬% এ নির্ধারণ করেছে। উল্লেখ্য, গত বছরের জুন মাসে এই সুদের হার ২১% পর্যন্ত উন্নীত হয়েছিল, যা ছিল সাম্প্রতিক সময়ের সর্বোচ্চ। এরপর থেকেই ধাপে ধাপে ঋণের ব্যয় কমিয়ে আনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কঠোর মুদ্রানীতির কারণ সুদের হার কমানো হলেও ব্যাংকটি দ্রুত কোনো ‘নিরপেক্ষ স্তরে’ (যেখানে সুদের হার অর্থনীতিকে ত্বরান্বিত বা ধীর করে না) ফিরতে নারাজ। ব্যাংক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “মুদ্রাস্ফীতিকে লক্ষ্যমাত্রায় ফিরিয়ে আনতে যত দিন প্রয়োজন, তত দিন মুদ্রানীতি কঠোর রাখা হবে।”

রাশিয়া বর্তমানে ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের পেছনে বিশাল অংকের সরকারি ব্যয় এবং বাজারে শ্রমিকের ঘাটতির কারণে অর্থনীতি ‘ওভারহিটিং’ বা অতি-উত্তপ্ত হওয়া ঠেকাতে চেষ্টা করছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, গত বছর দেশটির মোট জিডিপির (GDP) ৭ শতাংশেরও বেশি ব্যয় হয়েছে প্রতিরক্ষা খাতে। সামরিক খাতের এই বাড়তি চাহিদাকে সামাল দিতেই অর্থনীতির অন্য খাতগুলোর চাহিদা কমিয়ে আনার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

অর্থনৈতিক মন্দা ও মুদ্রাস্ফীতি টানা উচ্চ সুদের হারের প্রভাবে রাশিয়ার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মারাত্মকভাবে ধীর হয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) মতে, ২০২৪ সালে রাশিয়ার অর্থনীতি ৪.৩% বৃদ্ধি পেলেও এ বছর তা মাত্র ০.৬% এবং আগামী বছর ১% বাড়তে পারে।

বর্তমানে রাশিয়ার মুদ্রাস্ফীতি নভেম্বরে ৬.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৪% লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক করেছে যে, যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে ভ্যাট (VAT) বৃদ্ধির পরিকল্পনা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা আগামী বছরে মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে।

আরও পড়ুন