শনিবার ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ডে খরচ ইনবাউন্ড লেনদেনের চেয়ে প্রায় চারগুণ বেশি: বাংলাদেশ ব্যাংক বৈশ্বিক ও জ্বালানি সংকটের মুখেও উৎপাদনশীলতা ধরে রাখতে লড়াই করে যাচ্ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত স্পেনের বার্সেলোনা টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬-এ বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন, এটি অনন্য নজির: প্রতিমন্ত্রী অমিত<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ মাসে জ্বালানিতে অতিরিক্ত খরচ ৪১২ কোটি ডলার: উপদেষ্টা তিতুমীর সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করল সরকার নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার

রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান বিডা চেয়ারম্যানের

ঢাকা, ৫ জুলাই (বিডিইকোনমি) : রাষ্ট্রায়ত্ত বন্ধ ও লোকসানি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় সচল করতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

আজ রোববার (৫ জুলাই) নিজের অফিসিয়াল লিংকডইন অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান। বিডা চেয়ারম্যান স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য বেসরকারি খাতই সবচেয়ে উপযুক্ত। সরকারের মূল ভূমিকা হওয়া উচিত বেসরকারি বিনিয়োগকে সহায়তা করা, তাদের সাথে প্রতিযোগিতায় নামা নয়।

বিনিয়োগকারী ও সরকার উভয়ের জন্যই লাভজনক চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন জানান, এই উদ্যোগের ফলে বিনিয়োগকারীরা তৈরি অবকাঠামো বা ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ (Plug-and-Play) সুবিধার মাধ্যমে খুব দ্রুত তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ পাবেন। অন্যদিকে, এর মাধ্যমে সরকারের ওপর থাকা আর্থিক চাপ কমবে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ফলে এটি সরকার ও বিনিয়োগকারী উভয়ের জন্যই একটি ‘উইন-উইন’ বা লাভজনক পরিস্থিতি তৈরি করবে।

১০ হাজার একরের বেশি জমি ও ৪৪টি সুযোগ চিহ্নিত বিডা চেয়ারম্যানের তথ্য অনুযায়ী, সরকারের বিভিন্ন সংস্থার অধীনে ইতিমধ্যে ৪৪টি বিনিয়োগযোগ্য সুযোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। ইস্পাত (স্টিল), বস্ত্র (টেক্সটাইল), রাসায়নিক, চিনি, খাদ্য এবং পাট খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট এই সুযোগগুলোর আওতায় রয়েছে ১০ হাজার একরেরও বেশি জমি।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই শিল্পসম্পদগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন জায়গায় অবস্থিত নয়; বরং দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত শিল্পাঞ্চলে এগুলো গড়ে তোলা হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব সাইটে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় সব মৌলিক অবকাঠামো বিদ্যমান। এর পাশাপাশি সেখানে শিল্পভিত্তিক দক্ষ জনবল ও কমিউনিটিও রয়েছে।

আমদানি নির্ভরতা হ্রাস ও রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্য উদ্ধারকৃত এসব সম্পদ পুনরায় উৎপাদনমুখী খাতে ব্যবহার করার বিষয়ে ইতিমধ্যে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সাথে আলোচনা চলছে। কোনো কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান আগের খাতেই পুনরায় চালু করা হতে পারে। আবার কিছু সম্পদকে এমন সব নতুন শিল্পে রূপান্তর বা ব্যবহার করা হতে পারে, যা দেশের আমদানি নির্ভরতা কমাবে কিংবা রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করে বিডা প্রধান বলেন, এসব সম্পদ অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ কাঠামো, দ্রুততম সময়ে অনুমোদন এবং সমন্বিত সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।

আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা সংশ্লিষ্ট অনলাইন পোর্টালে প্রবেশ করে এই বিনিয়োগযোগ্য সম্পদের সম্পূর্ণ তালিকা এবং বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন।