বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
সিএমএসএমই খাতের ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল নভেম্বরের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের বাংলাদেশে সাশ্রয়ী জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে আগ্রহী তুরস্ক, এফএসআরইউ ও এলএনজি খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব ক্যাশলেস স্বাস্থ্যসেবা প্রসারে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট চালু<gwmw style="display:none;"></gwmw> বাংলাদেশে রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসা বিক্রির সম্ভাবনা যাচাই করছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড জ্বালানি সংকটে থমকে যাচ্ছে অর্থনীতির গতি, দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের ট্যাক্স হ্যাভেনের দিন শেষ, বিশ্বজুড়ে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের কৌশল বদলাচ্ছে: আইএমএফ আজকের ডিজিটালের ব্যবধান যেন আগামী দিনের এআই ডিভাইডে পরিণত না হয়: ইস্তাম্বুলে আইসিটি মন্ত্রী জাহাজশিল্পের বিশ্ববাজার ধরতে অনুমোদন সহজ করার উদ্যোগ, দ্রুত টিএসডিএফ স্থাপনের নির্দেশ ঢাকায় এলপিজির তীব্র সংকট, সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম উপেক্ষা করে দেদারসে বাড়তি আদায়

মার্চে রেকর্ড ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স; ২.৬৪ বিলিয়নই এসেছে বেসরকারি ব্যাংকে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : ২০২৬ সালের মার্চ মাসে দেশে আসা ৩.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্সের মধ্যে ২.৬৪ বিলিয়ন ডলারই এসেছে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

একক ব্যাংক হিসেবে বরাবরের মতো শীর্ষে রয়েছে ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। ব্যাংকটির মাধ্যমে এ মাসে সর্বোচ্চ ৫৮৯.৮৬ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

মার্চ মাসে শীর্ষ রেমিট্যান্স আহরণকারী অন্য ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক: ৪৬৪.৭০ মিলিয়ন ডলার
  • ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি: ৩৯৮.৩৬ মিলিয়ন ডলার
  • অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি: ২৬৭.৭১ মিলিয়ন ডলার
  • ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি: ২৪৮.৬২ মিলিয়ন ডলার
  • জনতা ব্যাংক পিএলসি: ২২১.৬৬ মিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সম্মিলিতভাবে ৬৪০.২৮ মিলিয়ন ডলার এবং বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো—যার পুরোটাই বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক আহরণ করেছে— ৪৬৪.৭০ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে। এছাড়া বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১০.০২ মিলিয়ন ডলার।

২০২৬ সালের মার্চের এই রেমিট্যান্স প্রবাহ গত মাস এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩.০১ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৫ সালের মার্চে এসেছিল ৩.২৯ বিলিয়ন ডলার।

মার্চ মাসের এই পরিমাণ যুক্ত হওয়ার পর চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬.২০ বিলিয়ন ডলারে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসেবে চলতি অর্থবছর রেমিট্যান্স প্রবাহে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রবাসীদের পাঠানো এই রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।