শনিবার ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ডে খরচ ইনবাউন্ড লেনদেনের চেয়ে প্রায় চারগুণ বেশি: বাংলাদেশ ব্যাংক বৈশ্বিক ও জ্বালানি সংকটের মুখেও উৎপাদনশীলতা ধরে রাখতে লড়াই করে যাচ্ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত স্পেনের বার্সেলোনা টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬-এ বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন, এটি অনন্য নজির: প্রতিমন্ত্রী অমিত<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ মাসে জ্বালানিতে অতিরিক্ত খরচ ৪১২ কোটি ডলার: উপদেষ্টা তিতুমীর সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করল সরকার নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার

মার্চে রেকর্ড ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স; ২.৬৪ বিলিয়নই এসেছে বেসরকারি ব্যাংকে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : ২০২৬ সালের মার্চ মাসে দেশে আসা ৩.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্সের মধ্যে ২.৬৪ বিলিয়ন ডলারই এসেছে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

একক ব্যাংক হিসেবে বরাবরের মতো শীর্ষে রয়েছে ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। ব্যাংকটির মাধ্যমে এ মাসে সর্বোচ্চ ৫৮৯.৮৬ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

মার্চ মাসে শীর্ষ রেমিট্যান্স আহরণকারী অন্য ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক: ৪৬৪.৭০ মিলিয়ন ডলার
  • ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি: ৩৯৮.৩৬ মিলিয়ন ডলার
  • অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি: ২৬৭.৭১ মিলিয়ন ডলার
  • ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি: ২৪৮.৬২ মিলিয়ন ডলার
  • জনতা ব্যাংক পিএলসি: ২২১.৬৬ মিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সম্মিলিতভাবে ৬৪০.২৮ মিলিয়ন ডলার এবং বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো—যার পুরোটাই বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক আহরণ করেছে— ৪৬৪.৭০ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে। এছাড়া বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১০.০২ মিলিয়ন ডলার।

২০২৬ সালের মার্চের এই রেমিট্যান্স প্রবাহ গত মাস এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩.০১ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৫ সালের মার্চে এসেছিল ৩.২৯ বিলিয়ন ডলার।

মার্চ মাসের এই পরিমাণ যুক্ত হওয়ার পর চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬.২০ বিলিয়ন ডলারে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসেবে চলতি অর্থবছর রেমিট্যান্স প্রবাহে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রবাসীদের পাঠানো এই রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।