সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ মাসে জ্বালানিতে অতিরিক্ত খরচ ৪১২ কোটি ডলার: উপদেষ্টা তিতুমীর সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করল সরকার নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ: ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিতরণ ছাড়িয়েছে ১৪,৫১৯ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ ব্যবসার লাইসেন্সে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত সার্কুলার জারি গবেষণা, প্রযুক্তি ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান: এইউএসটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন শুরু ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলা ও আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ, মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ মাসে জ্বালানিতে অতিরিক্ত খরচ ৪১২ কোটি ডলার: উপদেষ্টা তিতুমীর

ঢাকা, ১৯ অক্টোবর (বিডি ইকোনমি): মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের কারণে দেশের জ্বালানি খাতে মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। এই সংকটের ফলে গত আট মাসেই জ্বালানি খাতে অতিরিক্ত ৪১২ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় করতে হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকার উত্তরায় বিজিএমই কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তৈরি পোশাকশিল্পের (আরএমজি) কারখানায় পরিবেশগত, সামাজিক ও সুশাসনসংক্রান্ত (ইএসজি) কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং সক্ষমতা বাড়াতে নতুন এই প্ল্যাটফর্ম চালুর উপলক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক পর্যায়ে ৩২৬টি পোশাক কারখানা এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছে।

অতিরিক্ত আর্থিক চাপের মধ্যেও সরকারের দূরদর্শী পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা জানান, সরকার মাতারবাড়ী এলাকাকে একটি আঞ্চলিক জ্বালানি কেন্দ্র (হাব) হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।

বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার বিষয়ে তিতুমীর বলেন, শুধু কম মূল্যের পণ্যের ওপর নির্ভর করে এখন আর বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকা সম্ভব নয়। আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই কঠোরভাবে পরিবেশগত মানদণ্ড মেনে চলা উচিত। এ সময় বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, সরকার পাঁচ বছরের একটি অনুমানযোগ্য কর নীতি কাঠামোর রূপরেখা নিয়ে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম মাসরুর রিয়াজ, ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) গবেষণা পরিচালক মুন্সী সোলায়মান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার।

রপ্তানি বাজারের গতিপ্রকৃতি নিয়ে এম মাসরুর রিয়াজ জানান, ইউরোপের ৭০ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ৭৩ শতাংশ ক্রেতাই এখন পরিবেশবান্ধব ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হতে চান এবং উৎপাদনের সময় কার্বন নিঃসরণের স্বচ্ছতা দেখতে চান। ভিয়েতনাম ও ভারত এই ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকতে ইএসজি কমপ্লায়েন্স এখন অপরিহার্য। ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলারও এমন টেকসই ও স্বচ্ছ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, এটি উৎপাদন খাতের প্রতিযোগ সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।

অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ Hasan খান ঘোষণা দেন যে, তাদের সদস্যভুক্ত সব কারখানার জন্য ইএসজি কমপ্লায়েন্স বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে বিকেএমইএর সঙ্গেও আলোচনা করা হবে। এছাড়া বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের সময়সীমা বাড়ানো হলে এই প্রস্তুতিমূলক রূপান্তর আরও দ্রুত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন