বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ জনবল সংকটে ধুঁকছে ১৫৩ কোটি টাকায় আধুনিকায়ন করা সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা ভোটের গাড়ির ‘জনমত বাক্সে’ প্রধান উপদেষ্টাকে ৪০ হাজারের বেশি মানুষের মনের কথা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্যারিফ চুক্তি: বিজিএমইএ-র প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ও অভিনন্দন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক এখন থেকে ‘স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক’ আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং লেনদেনের সময়সূচী নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্বাচন উপলক্ষে ব্যাংক ও শেয়ারবাজার ৪ দিন বন্ধ বিশ্বমন্দা ও অভ্যন্তরীণ সংকটে হোঁচট খাচ্ছে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত, আশার আলো দেখাচ্ছে জানুয়ারি বিটকয়েনের বড় ধস: এক সপ্তাহে ২৫% মূল্য হ্রাস, নেমেছে ৬৩ হাজার ডলারের নিচে

বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো টার্মিনাল নির্মাণ করছে টার্কিশ এয়ারলাইন্স: ২.৩ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ

ইস্তাম্বুল ডেস্ক — আকাশপথে পরিবহণ ও সেবায় বিশ্বজুড়ে নিজেদের আধিপত্য আরও শক্তিশালী করতে এক মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে তুরস্কের পতাকাবাহী বিমান সংস্থা টার্কিশ এয়ারলাইন্স। শুক্রবার (২ জানুয়ারি, ২০২৬) সংস্থাটি ঘোষণা করেছে যে, তারা বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো টার্মিনাল এবং ইন-ফ্লাইট ক্যাটারিং (বিমানে খাবার সরবরাহকারী) সুবিধা তৈরি করতে যাচ্ছে।

এই বিশাল প্রকল্পে তারা ১০০ বিলিয়ন তুর্কি লিরা বা প্রায় ২.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।

প্রকল্পের মূল আকর্ষণসমূহ: কর্মসংস্থান: এই বিশাল বিনিয়োগের মাধ্যমে অন্তত ২৬ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিশ্বের সেরা হওয়ার লক্ষ্য: টার্কিশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় বিমান সংস্থা। তাদের লক্ষ্য ২০৩৩ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ৫টি এয়ারলাইন্সের তালিকায় জায়গা করে নেওয়া।

বিশাল বহর: ২০২৫ সাল নাগাদ সংস্থাটির হাতে ৫১৪টি বিমান রয়েছে, যা ২০৩৩ সালের মধ্যে ৮১৩টি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিরাট কর্মযজ্ঞ: বর্তমানে সংস্থাটি বছরে ৮ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি যাত্রী এবং ২০ লাখ টন কার্গো বা পণ্য পরিবহন করছে। নতুন টার্মিনালটি চালু হলে এই সক্ষমতা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।

টার্কিশ এয়ারলাইন্স তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে লিখেছে, “তুরস্ক বড় হচ্ছে, টার্কিশ এয়ারলাইন্স উড়ছে। তুরস্কের পতাকাবাহী ব্র্যান্ড হিসেবে এই অর্জন আমাদের গর্বিত করে।”

যদিও প্রকল্পের নির্দিষ্ট স্থান উল্লেখ করা হয়নি, তবে তুরস্কের বাণিজ্যিক রাজধানী এবং প্রধান আন্তর্জাতিক বিমান হাব ইস্তাম্বুলেই এটি নির্মিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।