শনিবার ২৭ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
১ জুলাই থেকে ‘বাংলা কিউআর’ কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক: ক্যাশলেস অর্থনীতির লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ<gwmw style="display:none;"></gwmw> জ্বালানি খাতের বরাদ্দ বৈষম্য দূর ও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর তাগিদ সানেমের<gwmw style="display:none;"></gwmw> প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রণালয়গুলোতে ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড বসানো হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ব্যাংকগুলোকে জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি এসএমই খাত: শিল্পমন্ত্রী ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক আইএমএফের নতুন ঋণের শর্ত: ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় উদ্যোগ: প্রবাসীদের জন্য ‘কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট’ চালু, ওএমইউ ও অফশোর ব্যাংকিংয়ে গতি আনার লক্ষ্য পাঁচটি দেউলিয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো টার্মিনাল নির্মাণ করছে টার্কিশ এয়ারলাইন্স: ২.৩ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ

ইস্তাম্বুল ডেস্ক — আকাশপথে পরিবহণ ও সেবায় বিশ্বজুড়ে নিজেদের আধিপত্য আরও শক্তিশালী করতে এক মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে তুরস্কের পতাকাবাহী বিমান সংস্থা টার্কিশ এয়ারলাইন্স। শুক্রবার (২ জানুয়ারি, ২০২৬) সংস্থাটি ঘোষণা করেছে যে, তারা বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো টার্মিনাল এবং ইন-ফ্লাইট ক্যাটারিং (বিমানে খাবার সরবরাহকারী) সুবিধা তৈরি করতে যাচ্ছে।

এই বিশাল প্রকল্পে তারা ১০০ বিলিয়ন তুর্কি লিরা বা প্রায় ২.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।

প্রকল্পের মূল আকর্ষণসমূহ: কর্মসংস্থান: এই বিশাল বিনিয়োগের মাধ্যমে অন্তত ২৬ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিশ্বের সেরা হওয়ার লক্ষ্য: টার্কিশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় বিমান সংস্থা। তাদের লক্ষ্য ২০৩৩ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ৫টি এয়ারলাইন্সের তালিকায় জায়গা করে নেওয়া।

বিশাল বহর: ২০২৫ সাল নাগাদ সংস্থাটির হাতে ৫১৪টি বিমান রয়েছে, যা ২০৩৩ সালের মধ্যে ৮১৩টি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিরাট কর্মযজ্ঞ: বর্তমানে সংস্থাটি বছরে ৮ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি যাত্রী এবং ২০ লাখ টন কার্গো বা পণ্য পরিবহন করছে। নতুন টার্মিনালটি চালু হলে এই সক্ষমতা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।

টার্কিশ এয়ারলাইন্স তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে লিখেছে, “তুরস্ক বড় হচ্ছে, টার্কিশ এয়ারলাইন্স উড়ছে। তুরস্কের পতাকাবাহী ব্র্যান্ড হিসেবে এই অর্জন আমাদের গর্বিত করে।”

যদিও প্রকল্পের নির্দিষ্ট স্থান উল্লেখ করা হয়নি, তবে তুরস্কের বাণিজ্যিক রাজধানী এবং প্রধান আন্তর্জাতিক বিমান হাব ইস্তাম্বুলেই এটি নির্মিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।