মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
অবকাঠামো ও ইউটিলিটি সুবিধার ধীরগতিতে অর্থনৈতিক অঞ্চলে তৈরি হয়েছে আস্থাহীনতা: বেজিয়া সভাপতি সামাজিক সুরক্ষায় জাকাত: সেন্ট্রাল ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন প্রকাশ<gwmw style="display:none;"></gwmw> বাংলা কিউআর লেনদেনে ইন্টারচেঞ্জ রিইম্বার্সমেন্ট ফি শূন্য নির্ধারণ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক ভ্রমণ কোটার বাইরে আন্তর্জাতিক কার্ডে বিদেশে শিক্ষার ফি পরিশোধের অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ৪ লিজিং প্রতিষ্ঠানকে ‘অকার্যকর’ ঘোষণা, রেজল্যুশন কার্যক্রমে প্রশাসক বসালো বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ‘ন্যানো ঋণ’ চালুর উদ্যোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষায় ২৫ ল্যাপটপ দিল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বিদেশে বাংলাদেশি খেলাপিদের সম্পদ অনুসন্ধানে ৮ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ব্যাংক টাকায় বিদেশি ভ্রমণ প্যাকেজ বিক্রির সুযোগ পেলেন ট্যুর অপারেটররা: বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে ‘চা’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে: চীনা কালচারাল কাউন্সিলর

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি ইকোনমি সিলেট :

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে ‘চা’ এক অনন্য মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকাস্থ চীন দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি শাওপেং।

শনিবার (১৬ মে) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের ‘চাইনিজ কর্নার’ আয়োজিত ‘চা ও বিশ্ব: নান্দনিক মিলনমেলা’ (Tea and the World: Aesthetic Meeting) শীর্ষক সেমিনারে গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

লি শাওপেং বলেন, “চা কেবল একটি পানীয় নয়; এটি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যকার নিবিড় সংযোগের প্রতীক। চীনা সভ্যতায় চা সম্প্রীতি, ধৈর্য, প্রজ্ঞা এবং মানবিক সম্পর্কের প্রতিনিধিত্ব করে।”

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রোভিসি অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিমসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ অনুষদ সদস্যরা।

অনুষ্ঠানের টেকনিক্যাল সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. ইয়াং হুই চীনা চা সংস্কৃতির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ওপর একটি মূল প্রবন্ধ (কি-নোট) উপস্থাপন করেন। তিনি দুই দেশের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে চায়ের বিবর্তন তুলে ধরেন।

সেমিনারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি একটি বিশেষ চিত্রপ্রদর্শনী আয়োজন করা হয়। যেখানে বিভিন্ন শিল্পীর আঁকা ২০টি চিত্রকর্ম প্রদর্শিত হয়। এসব শিল্পকর্মে শিল্পীদের চীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা এবং চীনা সংস্কৃতির বৈচিত্র্যময় দিকগুলো ফুটে উঠেছে।

পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন চাইনিজ কর্নারের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. শাহাবুল হক। আয়োজকরা জানান, দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ছিল, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল শিল্প ও ঐতিহ্যের মাধ্যমে দুই দেশের সাংস্কৃতিক সমঝোতা বৃদ্ধি করা।